ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মনপুরায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে টাকার বিনিময়ে মা ইলিশ শিকার

Link Copied!

ভোলার মনপুরায় মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে টাকা লেনদেনের বিনিময়ে মেঘনায় মাছ শিকারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মৎস্য ব্যবসায়ী ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুর রহিমের সঙ্গে সহকারি মৎস্য কর্মকর্তার কাজল রেখার কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবী করেছেন মৎস্য ব্যবসায়ী ও উপজেলা বিএনপি নেতারা। বুধবার সকাল থেকে মেঘনায় মাছ শিকারের টাকার লেনদেনের অডিও রেকর্ডটি ভাইরাল হয়। ভাইরাল হওয়া রেকর্ডে মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখাকে এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যায়, রহিম ভাই, শোনেন, একটা প্যাঁচ দিয়ে থুইয়া গেছেন। আমি না পারি অভিযান করতে। আমার ওপর থেকে চাপ আসতেছে। বাকি টাকা মাগরিবের আগে পাঠাই দিয়েন, না দিলে সব বোটে আগুন জ্বালাই দিমু। জবাবে মৎস্য ব্যবসায়ী রহিমকে বলতে শোনা যায়, ‘যা করেন করেন, ফরটি ফাইব দিছি। এর মধ্যে যেভাবে হোক আপনি আমাকে সেভ কইরেন।’ এরপর কাজল রেখাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমারে তো চা খাওয়ার জন্যেও দেন নাই। চা খাওয়ার টাকা দিলেও তো খুশি হতাম।’ উপজেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন প্রিন্স লেনদেনের অডিও রেকর্ডিংটি পোস্ট করে লেখেন, এই হলো গরিবের পেটে লাথি মারার অবরোধ, সবকিছু ভাগবাটোয়ারার খেলা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খোদ উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা সাগরে মাছ ধরার দুই শতাধিক ট্রলারের প্রত্যেকটি থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্য মাছ ধরার অঘোষিত অনুমোদন দেন। পরে এই টাকা তিন ভাগ করেন সকলের কাছে পৌঁছে দেন অডিও ভাইরাল হওয়া মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা। এই বিষয়ে অভিযুক্ত মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল সচিব হাফেজ আবদুর রহিমের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা জানান, বিষয়টি শুনেছি, সত্যতা নিশ্চিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা জানান, এইটা অনেক আগের রেকর্ড। এরপর তিনি অফিসে চা খাওয়ার দাওয়াত দেন। এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খান সালমান হাবিব জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে উধ্বর্তন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।