মেহেরপুরে অনলাইন ক্যাসিনো ও অবৈধ ই-ট্রানজেকশন চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে ও মাসুদ রানা নামে মেহেরপুরে অনলাইন ক্যাসিনো ও অবৈধ ই-ট্রানজেকশন চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে মাসুদ রানা নামে আরও এক এজেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে মুজিবনগরের কোমরপুর বাজার থেকে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একটি টিম অভিযান চালিয়ে মাসুদ রানাকে করে।
ক্যাসিনো এজেন্ট মাসুদ রানা মুজিবনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি কোমরপুর বাজারের ‘রোজ ফ্যাশন’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও অবৈধ ই-ট্রানজেকশনের অভিযোগে মুজিবনগর থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ২০(২)/২৪(২)/২৭(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় প্রথমে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হলেও পরে তদন্তে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।
ওই মামলার ১১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মাসুদ রানা। সে পুলিশের গ্রেপ্তার এড়াতে দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে ছিলেন।
সোমবার (১১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কোমরপুর বাজারে অভিযান চালায়। গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোরশেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের ওই দলটি কোমরপুর বাজারের ‘রোজ ফ্যাশন’ ঘেরাও করে অভিযান প মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করেন। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে একই মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট মুকুল ইসলামকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে আদালতে দেওয়া তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে আরও ১৫ জনকে মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও একজন জামিনে মুক্ত হয়েছেন। অধিকাংশ আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন।
মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দকৃত মোবাইল ফোনের ফরেনসিক রিপোর্টে অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালনা বা জুয়া সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে নতুন মামলা করা হবে।’
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরের দিকে আসামিকে আদালতের পাঠানো হয়েছে।

