ঢাকাMonday , 13 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অসময়ে তিস্তার ভাঙন>br> হুমকির মুখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক একর ফসলি জমি

Link Copied!

হঠাৎ তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগজ্ঞে উপজেলার কাপাসিয়ার ইউনিয়নের উজানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে শতাধিক একর ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়টি এখন ভাঙনের মুখে। বিশেষ করে কাপাসিয়ার ভোরের পাখি গ্রামে অসময়ে নদী ভাঙনের কারণে চরের মানুষজন উঠতি ফসলি জমি নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেন। কখন তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলিন হবে তা নিয়ে দিশেহারা চরবাসি বলেন কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর মোঃ রফিকুল ইসলাম তিনি বলেন সারা বছর নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সরকারি ভাবে নদী ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হলেও তা দিয়ে ভাঙন রোধ সম্ভব হচ্ছে না। স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ করার দাবি তার। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও কৃষি অধিদপ্তরের তথ্যমতে প্রতিবছর গড়ে ৪৫০ বসতভিটা, ৩০০ হেক্টর ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও প্রতিষ্ঠান তিস্তায় বিলিন হয়ে যাচ্ছে। সে মোতাবেক গত ৫ বছরে আড়াই হাজার বসতভিটা, এক হাজার ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি, ৫০ কিলোমিটার রাস্তাঘাট, ৩০টি ধর্মীয় ও ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ভাঙন কবলিত পরিবারের জন্য ত্রান বিতরণ করা ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি। হরিপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গার চর গ্রামের মোঃ জরিফ মিয়া বলেন চরের প্রতিটি মানুষের বসতভিটা কমপক্ষে ৫ হতে ৮ বার ভাঙনের শিকার হয়েছে। গত ১০ বছর ধরে সারা বছর নদী ভাঙন চলমান রয়েছে। বর্তমানে উপজেলার হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নামকাওয়াস্তে সরকারি ভাবে ভাঙন রোধে জিও টিউব ও জিও ব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন রক্ষা হচ্ছে না। উজানের পলি জমে নদী ভরে গিয়ে তিস্তার গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। সেই কারনে তিস্তা অসংখ্য শাখা নদীতে রুপ দিয়েছে বলেন হরিপুরের কাশিম বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আ.ব.ম. আব্দুল ওয়াহেদ সরকার। সে কারনে সময় এবং অসময়ে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ করতে না পারলে চরের মানুষের কষ্ট কোন দিন দুর হবে না।