যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের মাঝে অর্ধ গলিত খাবার স্যালাইন সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে হাসপাতালে অগত রোগীসহ এলাকাবাসীর মাঝে আতংক বিরাজ করছে। জানা গেছে, উপজেলার মমিনপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে মাইমুনা (১৯ মাস) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে তার পিতা গত রোববার তাকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। বহির্বিভাগ থেকে টিকিট কেটে হাসপাতালের শিশু বিষয়ে অভিজ্ঞ ডাক্তার সমরেশ তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ব্যবস্থাপত্রে খাবার স্যালাইন সহ অ্যাপ্রসিন, টিফল, পেপ-২, ওমিডন সিরাপ ও প্রোবায়ো ক্যাপসুল লিখে দেন। প্রেসক্রিপশনে লিখে দেয়া ওষুধগুলো ফার্মেসি থেকে কিনলেও তাকে হাসপাতাল থেকে ১০ টি খাবার স্যালাইন দেয়া হয়। তিনি বাড়িতে গিয়ে তার মেয়েকে স্যালাইন খাওয়ানোর সময় দেখেন স্যালাইন গুলো অর্ধ-গলিত। এ নিয়ে তিনি আতঙ্কিত হয়ে এলাকার গ্রাম্য ডাক্তারদের জানালে তারা ওই স্যালাইন খাওয়াতে নিষেধ করেন। হাসপাতালে খাবার স্যালাইন বিতরণের দায়িত্বে থাকা স্টাফ সিনিয়র নার্স মমতা রানী মল্লিক বলেন, বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেহনেওয়াজকে জানানোর পর তিনি ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বিতরণ করতে বলেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রেহনেওয়াজ ওই স্যালাইন বিতরণ করতে বলার কথা অস্বীকার করে বলেন প্যাকেজিং এর কারণে এটা হয়েছে। এতেও গুনগত মান ঠিক থাকে। এটা খাওয়ায় কোন রকম ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। স্যালাইন গুলো যশোরের খাওয়ার স্যালাইন উৎপাদন ও সরবরাহ প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া গেছে।

