ঢাকাTuesday , 31 March 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বাধীনতার ৫৭ বছর পার হলেও ফুলবাড়ী জেলা বাস্তবায়িত হয়নি

Link Copied!

স্বাধীনতার ৫৭ বছর পার হলেও জেলা বাস্তবায়িত হয়নি ফুলবাড়ীতে। ৬টি উপজেলা প্রাণ কেন্দ্র ফুলবাড়ী। ৬টি উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে ফুলবাড়ী বিরামপুর মধ্যবর্তী স্থানে জেলা করার জন্য বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছেন। এই এলাকার মানুষ দূর্ভোগের কারণে ফুলবাড়ী জেলা বাস্তবায়ন চায়। ফুলবাড়ীতে জেলা বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার মানুষ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাবে। ফুলবাড়ী উপজেলা সহ ৬টি উপজেলা পূর্বাঞ্চল জেলা বাস্তবায়ন কমিটিও গড়ে তোলেন। ৬টি উপজেলার ভৌগলিক সীমা রেখা, দূরত্ব, পরিবেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে ১৯৭৮ সালে ৯ মে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে এক জনসভায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফুলবাড়ীকে মহকুমায় উন্নতি করার চূড়ান্ত ঘোষনা দেন। যাহার স্মারক নং-১৭/১৭(২)পোপ/৭৯-৬২৮। তারিখ: ১৪/০৬/১৯৭৯ইং। এর গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তৎকালীন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আততায়ীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হন এবং রাজনৈতকি পট পরিবর্তনের কারণে তার দেওয়া ঘোষণা বাস্তবিয়িত হয়নি। তৎকালীন রাষ্ট্রপতির ইচ্ছাকে বাস্তয়ন করার মধ্যদিয়ে তার আত্মার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবেন বলে অত্র অঞ্চলের ৬টি উপজেলার মানুষ বিশ্বাস করেন। ফুলবাড়ী উপজেলা বাস্তাবায়নের একটি শক্তিশালি নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির তৎকালীন পৌর মেয়র শাহাজাহান আলী সরকার পুতু আহ্বায়ক ছিলেন। এই কমিটি দীর্ঘ দিন ধরে জেলা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ক্রমনয়ে আন্দোলন করে আসছে। ফুলবাড়ী জেলা বাস্তবায়নে যে কারণে জোরাল দাবী উঠেছিল বিভিন্ন মহলের তা হচ্ছে ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, পার্বতীপুর, বিরামপুর, ফুলবাড়ী। এই ৬টি উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র হচ্ছে ফুলবাড়ী। ৬টি উপজেলার সমন্বয়ে ফুলবাড়ী অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয় স্থাপিত হয়, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, কঠিন শীল খনি প্রকল্প, ৫২৫ মেয়াগওয়াড কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, উত্তর অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্র স্বপ্নপূরীর প্রবেশদার, শতাধিক সরকারি ও বে-সরকারি এনজিও অফিস, দুটি সরকারি কলেজ, ২৯ বিজিবি’র সদর দপ্তর, সড়ক ও জনপদ বিভাগের ফুলবাড়ী সার্কেল অফিস ও একটি ডাকবাংলো, পার্বতীপুর ফুলবাড়ী, বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোটাঘাড়, নবাবগঞ্জ অঞ্চলের আয়কর অফিস, ফুলবাড়ী উপ-শহর, টেলিযোগাযোগের উন্নতিতে ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশন (টিএনটি), পানি উন্নয়ন বোর্ডের আঞ্চলিক অফিস, ফুলবাড়ী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নোসকোর নিবার্হী প্রকৌশলীর কার্যালয়, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, দূর্যোগ মোকাবেলায় একটি হেলিপ্যাড, বাংলাদেশ প্রাণ কোম্পানির একটি কারখানা, প্লাইউড কোম্পানির একটি কারখানা, ছোট বড় মিলে প্রায় ১৭টি ক্ষুদ্র শিল্প কলকারখানা, একটি কোলস্টোরেজ, ৮টি পেট্রোল পাম্প, ৩টি গ্যাস ফিলিং স্টেশন, রেল ও সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফুলবাড়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। উল্লেখ্য যে, ঘোড়াঘাট থেকে ঐ এলাকার মানুষ দিনাজপুরে অফিস আদালত করতে গিয়ে অর্থনৈতকিভাবে হয়রানি হচ্ছেন। সে কারণে এই ৬টি থানাকে নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জেলা বাস্তবায়ন করার সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলেন। সবকিছু বিবেচনা করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ঐ ঘোষনা বাস্তবায়নের লক্ষে বর্তমান সরকারের প্রতি সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এই এলাকার সচেতন বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল।