ঢাকাMonday , 30 March 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাল সনদ প্রদানের অভিযোগে সিরাজগঞ্জে চিকিৎসক কারাগারে

Link Copied!

জাল মেডিকেল সনদ প্রদানের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার এ আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানো চিকিৎসক হলেন ডা. ফয়সাল আহম্মেদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি মামলার (জি আর-৪২/২০২৫, বেলকুচি) প্রকৃত রোগী শাহজালালের তথ্য পরিবর্তন করে জাল মেডিকেল সনদ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ডা. ফয়সালের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, রোগীর পিতা মহব্বত আলীর নাম পরিবর্তন করে আলতাব এবং থানার নাম শাহজাদপুরের পরিবর্তে বেলকুচি উল্লেখ করে তিনি নিজ হাতে সংশোধন করেন। একই সিরিয়ালে দুই ব্যক্তির নামে ভর্তি টিকেট দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে।

বিষয়টি আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইন্দ্রজিত সাহা লিখিতভাবে আদালতকে অবগত করলে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ডা. ফয়সালের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

এরপর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ডা. ফয়সাল আহম্মেদ ও বেলকুচি উপজেলার কদমতলী গ্রামের মোতালেব হোসেনকে আসামি করা হয়।

আরও পড়ুন

র‌্যাবের অভিযানে জাল নোট চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

সোমবার ডা. ফয়সাল আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভিকটিম শাহজালালের পিতা আলতাব হোসেনের নামে একটি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রস্তুত করা মেডিকেল সনদ প্রদান করা হয়েছে, যা জাল বলে প্রতীয়মান। এ ঘটনায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৬৩ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে আদালতের এপিপি হদিউজ্জামান শেখ জানান, ডা. ফয়সালের বিরুদ্ধে জাল সনদ প্রদানের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রোগীর তথ্য পরিবর্তন করে তিনি জাল সনদ দিয়েছেন এবং বিষয়টি আদালতে স্বীকারও করেছেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।