ঢাকাMonday , 29 December 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেশবপুরে সরিষা আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

Link Copied!

যশোরের কেশবপুরে চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া লক্ষমাত্রার চেয়ে ৫০৫ হেক্টর বেশী জমিতে সরিষা আবাদ করেছেন  চাষিরা। উপজেলার বিস্তৃত ফসলের মাঠ জুড়ে এখন  হলুদের সমারোহ। শীতের সকালে কুয়াশার চাঁদরে মোড়ানো সোনালী রোদের উষ্ণতায় এসব সরিষা ক্ষেতে মৌমাছিরা মধু আহরণে গুঞ্জন তুলছে। সরিষা ফুলের গন্ধে বিভোর সারামাঠময়।  ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে ও সয়াবিন তেলের পরিবর্তে  উপজেলার মানুষ সরিষার তেলের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন তারা সরিষা চাষের প্রতি ঝুকে পড়েছে।  এছাড়া সরিষার  দাম ভাল হওয়ায় বোরো ধানের খরচ মেটাতে চাষিরা আগাম সরিষা চাষ করে থাকে।  এবছর সরিষার বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকও বেজায় খুশি। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, চলতি বছর চলতি বছর সরিষার  আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে এ উপজেলায় ৪ হাজার জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সরিষার বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।  এছাড়া সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৫৭০ হেক্টর জমি।  কিন্তু সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তার বিকল্প হিসাবে সরিষার তেলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।  যার ফলে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।  যা লক্ষ্যমারার চেয়ে  ৫০৫ হেক্টর বেশী জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। কৃষকরা জানায়, অধিকাংশ নিন্মাঞ্চলের বিলে এবার আমন ধান আবাদ হয়নি।  কিন্তু মৌসুমী বায়ুর শেষদিকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বিলগুলো পানি শূন্য হয়ে পড়ে। বোরো আবাদের আগেই এসব জমিতে কৃষকরা বিনাচাষে সরিষার আবাদ করেন।  আবার উঁচু জমির কৃষকরা চাষ দিয়ে সরিষার আবাদ করেন। যে কারণে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যায়। সরিষার বিভিন্ন জাতের মধ্যে এবার মাঠে বারি সরিষা- ৯, বারি সরিষা-১৪, বারি সরিষা- ১৭, বারি সরিষা-১৮, বীনা সরিষা-৯ ও টরি -৭ জাতের সরিষার আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ভালুকঘর গ্রামের কৃষক আব্দুল জলিল, হাবিবুর রহমান জানান, তারা প্রতিবছর সরিষার চাষ করে থাকেন। আবাহাওয়া ভালো থাকায় এবছর সরিষার ভালো ফলন আশা করা হচ্ছে। প্রতি বিঘায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকার সরিষা বিক্রি করা যাবে বলে তারা আশাবাদী। সরিষার বাজার দামও বেশি।  এজন্য তারা বেজায় খুশি। উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, সরিষার আবাদ বাড়াতে এবছর সরকারিভাবে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সরিষার বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কৃষকরা ভালো ফলন পাবেন। সরিষার বাজার দরও ভালো।