গাইবান্ধা জেলার অধিকাংশ পরিবার কৃষি ফসল উৎপাদন করেই মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেন। অন্যান্য ফসলের চেয়ে সবচেয়ে লাভজনক হচ্ছে- আমন ধানের আবাদ। চলতি মৌসুমে এই আবাদে সার-কীটনাশক প্রয়োগ শেষে দেখা দিয়েছিল বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। এরই মধ্যে কারেন্ট পোকার আক্রমণ আর হেমন্তের বৃষ্টিতে ধানখেত নুয়ে পড়ে মিশে যাচ্ছে পানিতে। এতে ক্ষতির শঙ্কায় ভুগছেন কৃষকরা।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে গাইবান্ধা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার মাঠপর্যায়ে ঘুরে দেখা গেছে- রোপ আমন ধানের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। যেখানে ধানের শীষ পরিপক্ব হওয়ার কথা, সে মুহূর্তে পোকার আক্রমণসহ বৃষ্টির পানিতে নুয়ে পড়া ধানগাছ কেটে দেওয়া হচ্ছে গবাদীপশুর মুখে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে হেলে পড়া থোড় ধান, আধাপাকা ধানগাছগুলো কেটে গরুকে দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ তা আঁটি বেঁধে বিক্রি করছেন হাট-বাচারে। এই দুর্যোগে কি পরিমাণ ধানের ক্ষতি হয়েছে সেটি জানাতে পারেনি কৃষি বিভাগ। তবে কৃষকরা ধারণা করছে- পোকা আর বৃষ্টিতে এ জেলায় প্রায় হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হওয়ার পথে। স্থানীয় কৃষক আমিনুল ইসলাম জানান, এ বছর তিনি দুইবিঘা জমিতে রোপা আমন চাষাবাদ করেছেন। ইতোমধ্যে এ খেতে থোড় থেকে ধানের শীষ বেড় হয়। এরই মধ্যে বৃষ্টি-বাতাসে তার ২৫ শতক খেতের ধানগাছ হেলে পড়েছে পানির ওপরে। এতে প্রায় ১০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে।

