পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে নির্মিত নতুন বহুতল ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে বরাদ্দের অভাবে চালু করা যাচ্ছিল না। হাসপাতালটি চালুর জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত বিশেষ তহবিলে এবার ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার (২ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসক সাবেত আলীর হাতে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন জামায়াতে ইসলামী’র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। অনুদান প্রদানের পর বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমাদের এই অনুদান কোনো দলীয় প্রচারণা নয়, এটি মানবিক দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আমাদের গর্বের দেশ। এই দেশ গড়তে দল, ধর্ম, মত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। চিকিৎসা, শিক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো। আল্লাহ মানুষকে কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করেছেন মানুষের সেবা করাই আমাদের প্রধান কর্তব্য। অনুদান কার্যক্রম শেষে মাওলানা আব্দুল হালিম দলীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালের নতুন ভবন পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি না হলে তার কোনো মূল্য নেই। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে হবে আমরা চাই গণভোট ও নির্বাচন দুটোই হোক। একটি হবে, একটি হবে না এটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের কারও সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধ নেই। প্রত্যেক দল তাদের মতামত পেশ করবে এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা আটটি দল মিলে গণভোটসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মাহফুজার রহমান, জাগপার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি আব্দুল হাই, খেলাফত মজলিসের সভাপতি হাফেজ মীর মোর্শেদ তুহিন ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী প্রমূখ।

