ঢাকাSunday , 2 November 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেশবপুরে মাছ উৎপাদনে ৫শ ৭৫ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা

Link Copied!

যশোরের কেশবপুর চলতি বছরে চিংড়ি ও সাদা মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর উপজেলার চার হাজার ৬৫৮ মৎস্যঘেরে মাছ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টন। যার বাজার মূল্য ৫৭৫ কোটি টাকা। এই উৎপাদিত মাছ কেশবপুরের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাসহ বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে এবং আমিষের চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখছে। গত কয়েক দশক ধরে যশোরের কেশবপুর উপজেলা মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। কেশবপুর মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কেশবপুর উপজেলায় চার হাজার ৬৫৮টি মৎস্যঘের ও ছয় হাজার ৬৪০টি পুকুরে মাছ চাষ করা হয়। এর মধ্যে সাধারণ ঘের রয়েছে দুই হাজার ৮৪২টি, যার আয়তন পাঁচ হাজার ৩৯১ হেক্টর এবং বাণিজ্যিক ঘের রয়েছে ৫১৭টি, যার আয়তন এক হাজার ২২৫ হেক্টর। এছাড়া পুকুর রয়েছে ছয় হাজার ৬৪০টি। যার আয়তন ৬৯৮ হেক্টর। অন্যদিকে গলদা চিংড়ির ঘের রয়েছে ৬৬১টি, যার আয়তন ৫১৫ হেক্টর, বাগদা চিংড়ির ঘের রয়েছে ৬৩৮টি, যার আয়তন ৩১৫ হেক্টর। এ বছর কেশবপুরে রুই, কাতল ও পাবদাসহ সাদা মাছ উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ৫৭৫ টন। এই উৎপাদিত মাছের মূল্য ৫২০ কোটি টাকা। এছাড়া চিংড়ি মাছ উৎপাদন হয়েছে দুই হাজার ৪০০ টন এবং বাগদা চিংড়ি উৎপাদন হয়েছে ২৬৫ টন। যার মূল্য ২৫ কোটি টাকা। এ বছর কেশবপুরে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৭ হাজার ৭৫ টন। সেখানে ৫০০ টন মাছ বেশি উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে কেশবপুরে মাছের চাহিদা রয়েছে ছয় হাজার টন। বাকি মাছ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরবরাহ করা হয়। এছাড়া গলদা, বাগদা চিংড়ি ও পাবদা মাছ ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয় বলে জানা গেছে। কেশবপুরের উৎপাদিত মাছ আমিষের চাহিদা পূরণসহ দেশের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখছে। গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কেশবপুরে চার হাজার ৬০২টি মৎস্য ঘেরে মাছ চাষ করা হয়। এতে সাদা ও চিংড়ি মাছ উৎপাদন হয়েছিল ২৯ হাজার ১২২ টন। মৎস্য চাষিদের দাবি এ খাতে সরকারের প্রয়োজনীয় আর্থিক ও প্রশিক্ষণের সহযোগিতা পেলে মাছ উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে। কেশবপুরের মৎস্যচাষি বিশ্বাস কামরুজ্জামান ও কাশেম মোড়ল বলেন, মাছ উৎপাদনে সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে কেশবপুরে মাছ উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে। কেশবপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কেশবপুরে ছোটবড় মিলিয়ে মোট চার হাজার ৬৫৮টি মৎস্যঘেরে চলতি বছর প্রায় ৩০ হাজার টন মাছ উৎপাদন হয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৫৭৫ কোটি টাকা। তিনি আরো বলেন, এলাকার মৎস্যচাষিদের বিভিন্ন সহযোগিতাসহ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ফলে এ বছর চিংড়িসহ সাদা মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে।