রাঙ্গামাটির পর্যটন শিল্পের প্রতীক ঝুলন্ত সেতু দেড় মাস ধরে পানির নিচে নিমজ্জিত। ফলে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। এক সময় পর্যটকের ভিড়ে সরব এ স্থান এখন নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হোটেল-মোটেল মালিকরা। পর্যটন কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেতুটি সাড়ে তিন ফুট পানির নিচে। ১৯৮৬ সালে নির্মিত ৩৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি বর্ষা মৌসুমে প্রায় তিন মাস পানিতে ডুবে থাকে। বহু বছর ধরে সমস্যাটি চললেও সেতুকে উঁচু করার উদ্যোগ নেয়নি কর্পোরেশন।
স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল উদ্দিন বলেন, বর্ষা মৌসুমেও এখন পর্যটক আসেন। কিন্তু সেতু ডুবে যাওয়ায় পর্যটক অর্ধেকের বেশি কমেছে। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে স্থায়ী সমাধান জরুরি। পর্যটক মো. মোমিন বলেন, আমরা পরিবারের সবাই এসেছিলাম ঝুলন্ত সেতু দেখতে। এসে দেখি সেতু পানির নিচে। এতে খুব হতাশ হয়েছি। পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা জানান, ঝুলন্ত সেতুর বিকল্প হিসেবে একই স্থানে আধুনিক সেতু নির্মাণের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার বলেন, প্রতি বছর বর্ষায় সেতু ডুবে যায়। আধুনিক ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বাস্তবায়ন হলে পর্যটন শিল্পে নতুন প্রাণ ফিরে আসবে।

