বিগত ১৫ বছর স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে মিশে চলা ব্যক্তিকে ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটিতে ঠাই দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী সরকারের সময় আওয়ামীলীগের মিছিল মিটিং এমনকি শোক দিবসও পালন করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মহিদুজ্জামান মধু বর্তমানে সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ৭নং ইসলামকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য। এনিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। বইছে তুমুল সমালোচনা। অবশ্য ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য মহিদুজ্জামান মধু তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সামনে কাউন্সিল তাই নানাবিধ ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এদিকে, শোক দিবস, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীসহ নানা অনুষ্ঠানে আপনার ছবি আছে এমন প্রশ্নে তিনি এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে ইসলামকাটি ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী বলেন, দলের দুঃসময়ে মহিদুজ্জামান মধু আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের সাথে মিলে মিশে চলতো। সে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও দু:সময়ে দলে তার কোন অবদান নেই। ইসলামকাটি ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক প্রকাশ কুমার মিঠু জানান, মধু আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে সখ্যতা করে চলতো। বিগত সময়ে সে ফ্রি ষ্টাইলে চলছে। যেখানে আমরা দৌড়ের উপর থাকতাম। মধু সুবিধাবাদী যখন যে দল ফ্রন্টলাইনে থাকে তখন সেই দল করে। কৃষকদলনেতা আলতাফ হোসেন জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, এগুলি এখনই থামানো দরকার। যারা ত্যাগী তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। সুবিধাবাদিদের বিএনপির রাজনীতি করার অধিকার নেই। তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবী মধুর মত সুবিধা বাদিদের রাজনৈতিক ভাবে বয়কট করে ত্যাগী ও হামলা মামলার শিকার নেতাকর্মীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিতে হবে। মধুকে দ্রুত সার্চ কমিটি থেকে বর্হিষ্কার করার দাবীও জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক কর্মীরা। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু জানান, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

