ঢাকাSaturday , 16 August 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মোরেলগঞ্জের বহরবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র কমিটি গঠন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

Link Copied!

খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা আমান উল্লাহ আমানের নির্দেশনা না মেনে গঠনতন্ত্র অমান্য করে, ১১ নং বহরবুনিয়া ইউনিয়ন কমিটির নির্বাচনে অনিয়মের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন করে অবৈধ প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করার গুরুতর খবর পাওয়া গেছে। সরেজমিন থেকে উঠে আসা খবরে জানা যায়, বহরবুনিয়া ইউনিয়ন কমিটির নির্বাচনে পূর্ব ঘোষিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর অংশগ্রহন বাতিল ঘোষণা হওয়ায় নির্বাচনের একদিন আগে বাতিল হওয়া সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর স্থলে তার স্ত্রীকে (একজন আওয়ামী পরিবারের মেয়েকে) প্রার্থী করে নির্বাচনে অংশগ্রহনের সুযোগ করে দেয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইউনিয়ন কমিটির লিস্টে অন্য একজনের নামের স্থলে ঘোষিত অযোগ্য প্রার্থীর স্ত্রীর নাম ঢুকিয়ে রাতারাতি সদস্য করে, প্রার্থীতা বানিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়। প্রকাশ পায় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নানা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং আর্থিক লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। তদুপরী ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভোটারদের ভোট দিতে বাধ্য করার মাধ্যমে আকস্মিক ঘোষিত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এমন একটি ঘটনা আলাদিনের চেরাগের কল্প কাহিনীকেও হার মানিয়েছে। ১১নং বহরবুনিয়া ইউনিয়নে কমিটি গঠনের নামে এমন প্রহসন এলাকার মানুষের কাছে একটি হাস্যকর ট্রপিকস হয়ে আছে।স্থানীয়দের বক্তব্য, যিনি কোনো দিন বিএনপিই করেননি, কখনও এলাকার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হননি বরঞ্চ তিনি আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য এবং বরাবর আওয়ামী লীগ করেছে যার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এছাড়াও তিনি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত একজন সরকারি কর্মচারী। এমন একজন অপরিচিত মহিলাকে ১১ নং বহরবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’তে রাতারাতি সদস্য বানিয়ে সাধারণ সম্পাদক করা হলো কেনো এবং এর পিছনের রহস্য কি? স্থানীয়দের মতামত, যে মেয়েকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে, নির্বাচনের আগে সে মেয়েটি প্রার্থীও হননি। শুধুমাত্র কাগজে কলমে সদস্য বানিয়ে রহস্যজনকভাবে উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো সাধারণ সম্পাদক হয়ে গেলো কিভাবে এমন প্রশ্ন কেবল ঘুরপাক খাচ্ছে হাটে বাজারে চায়ের দোকানে জনতার মাঝে। নির্বাচন নিয়ে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার নজীর দেশের আর কোথাও হয়নি বলে তাদের আলোচনা সমালোচনা। দলীয় গঠনতন্ত্রের বাহিরে এমন ঘটনার কোনো বৈধতা আছে বলে কারো জানা নেই। ১১ নং বহরবুনিয়া ইউনিয়নের এই ঘটনা আলাদিনের চেরাগের কল্প কাহিনীকেও হার মানিয়েছে। ঘটনার সকল জারিজুরির প্রামাণ্য ডকুমেন্টস আমান উল্লাহ আমান ভাই, অনিন্দ দাদা এবং জয়ন্ত দাদার কাছেও পৌঁছে দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়। আরও জানা গেছে, নির্বাচনে বিজয় ঘোষিত মেয়েটির বিরুদ্ধে উঠে আসা সব তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে, আমান উল্লাহ আমান সাহেবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি’র মন্তব্য রয়েছে। সে মন্তব্যে বলা ছিলো নির্বাচনের একদিন আগে রাতারাতি এরকম একটি মেয়ে প্রার্থী হলো কিভাবে এবং বিজয়ী হলো কিভাবে? আরও মন্তব্য ও নির্দেশনা ছিলো দলের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে এই মেয়েকে দ্রুত প্রত্যাহার করে, পরবর্তী বিজয়ী ব্যাক্তিকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে দলের শৃংখলা রক্ষা করা হোক। বিভাগীয় দ্বায়িত্বপ্রাপ্তদের এই নির্দেশনা অমান্য করে যারা ওই মেয়েটিকে সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট অবৈধ ব্যাক্তিকে রেখেই সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই উপজেলা জেলায় কমিটি জমা দিয়েছেন এই ধৃষ্টতার পিছনের রহস্য কি? তারা কি জানেন না, এই অনিয়মের জন্য হাই কমান্ডে তাদের অচিরেই জবাবদিহি করতে হবে? স্থানীয় জনতার মতে, ১১ নং বহরবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র কমিটি নিয়ে এই খেলা এখানেই শেষ নয়। এই ঘটনার জের এবং রহস্যের জট খুলতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এমন কি জিয়া পরিবার, তারেক রহমান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।