গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলায় শুরু হয়েছে আমন ধানের চারা রোপণের মৌসুম। বর্ষার বৃষ্টিতে মাঠে জমে থাকা পানিতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন আমন চারা রোপণে। জেলার উপজেলা গুলো হচ্ছে, গাইবান্ধা সদর,সাদুল্ল্যাপুর,পলাশবাড়ি,সুন্দরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা। এসব এলাকার কৃষিকরা এখন মাঠে কৃষাণ-কৃষাণী নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রোপন কাজ করে যাচ্ছে না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গাইবান্ধার উপপরিচালক মোঃ খোরশেদ আলম গত রবিবার দুপুর ২টায় মুঠো ফোনে জানায়, এ বছর গাইবান্ধা জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ৭০-থেকে ৮০ ভাগ জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকরা চাষাবাদের প্রতি আগ্রহী হয়েছেন এবং চারা রোপণে গতি এসেছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুঠি পাড়ার কৃষক মনু মিয়া বলেন, “এবার বর্ষা দেরিতে এসেছে। বৃষ্টির পানি জমিতে আছে, তাই আমন চারা রোপণ করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। যদি মৌসুম ভালো যায়, তবে ভালো ফলনের আশা করছি।” কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের ধান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি কীটনাশক ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সারসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের আশা, অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর আমনের ভালো ফলন হবে এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য পেলে তারা লাভবান হবেন। জানায়, এ বছর গাইবান্ধা জেলায় প্রায় ১ লক্ষ ৩৩হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকরা চাষাবাদের প্রতি আগ্রহী হয়েছেন এবং চারা রোপণে গতি এসেছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহা পাড়ার কৃষক মোঃ মিলন বলেন, “এবার বর্ষা ঠিক সময় এসেছে। জমিতে পানি আছে, তাই আমন চারা রোপণ করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। যদি মৌসুম ভালো যায়, তবে ভালো ফলনের আশা করছি।”
স্থানীয় কৃষকদের আশা, অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর আমনের ভালো ফলন হবে এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য পেলে তারা লাভবান হবেন।

