পঞ্চগড়ে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১৭ জনকে পুশ ইন করেছে। পঞ্চগড়ের সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে এ পুশ ইন করেছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ১০ জনকে পঞ্চগড় থানায় এবং ৭ জনকে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করে বিজিবি। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া এবং তেতুঁলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশ ইন করা হয়। পুশ ইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী রয়েছেন। তাদের সবার বাড়ি যশোর, নওগাঁ, সিলেট, বরিশাল, কক্সবাজার, গোপালগঞ্জ ও নরসিংদীতে বলে জানা গেছে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৫-এর ২নম্বর সাব-পিলার এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্তের পিলার ৭৩৯/২০-আর এলাকা দিয়ে এসব ব্যক্তি বাংলাদেশে পুশ ইন হন। আরও জানা গেছে, তারা সবাই অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান এবং সেখানে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করছিলেন। সম্প্রতি ভারতীয় পুলিশ তাদের উড়িষ্যা, মহারাষ্ট্রসহ বিভিন্নস্থান থেকে আটক করে। পরে বিমানযোগে শিলিগুঁড়ি নিয়ে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিএসএফ সদস্যরা পরে তাদের সীমান্তে এনে বাংলাদেশে পুশ ইন করে। নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ঘাগড়া বিওপি টহল দল বাঙ্গালপাড়া সীমান্ত দিয়ে আসা ১০ জনকে আটক করে পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করে। একইভাবে তেঁতুলিয়ার ভজনপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইন হওয়া ৭ জনকে আটক করে বিজিবি এবং পরে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করে। পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লা হিল জামান বলেন, বিজিবি পুশইন হওয়া ১০ জনকে জিডির ভিত্তিতে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই চলছে। ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর কাজী আসিফ আহমদ বলেন, আমাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১০ জনকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে বিএসএফ। আমরা তাদের আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছি। ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরুল ইসলাম বলেন, ভজনপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইন হওয়া ৭ জনকে আটক করে জিডি মূলে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

