বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের নলবুনিয়া বাজারে একাধিক কোম্পানির ডিলার মোঃ রমজান হাওলাদারের মুদি মনোহারী মালের গোডাউনে রাত অনুমান ২ টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিভিন্ন কোম্পানির সকল মালামাল পুড়ে ছাঁই হয়ে যায় এবং প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। গোডাউনে সিটি গ্রুপ অব কোং, ডেনিয়েল কোং, মোল্লা ফুড,শরিফ সল্ট,ইউনি সান কোং এপেক্স ল্যাবরোটারিজ, সোলার স্যালাইন কোং, বাওমা কয়েল কোম্পানির সকল মুদি মনোহারী মালামাল পুড়ে ছাঁইতে পরিণত হয়। অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে পরবর্তীতে শরণখোলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে কোম্পানির ডিলার, গোডাউনের মালিক মোঃ রমজান হাওলাদার বলেন, আমার গোডাউন পুড়ে আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে, আমি আমার আত্মীয় স্বজনদের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ধারদেনা করে গত ৪ বছর আগে এই ডিলারসীপ ব্যবসা শুরু করি এখন আমার কপাল পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। আমি পথের ভিখারি হয়ে গেছি। সহায় সম্বল বলতে আমার আর কিছুই নেই। কি করে এই ধার দেনা শোধ করবো কি করে সংসার চালাবো এবং আমি যে কি করবোভেবে পাচ্ছি না। নলবুনিয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, রাতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে আসি এবং ফায়ার সার্ভিস খবর দেই। তবে কি ভাবে আগুন লেগেছে তার কিছুই ধারণা করতে পারছি না। আমরা বাজার কমিটির পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং তার যে ক্ষতি হয়েছে কমিটির সকল সদস্যরা মিলে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করাসহ সরেজমিনে আনার চেষ্টা করবো। তিনি আরও বলেন, এই গোডাউনে ৭/৮ জন কর্মচারী কাজ করতেন। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তারা এখন বেকার। অগ্নিকাণ্ডের ব্যাপারে বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বলেন, গোডাউনের মালিক ধার দেনা করে বিগত চার বছর আগে এই ডিলারিসপের ব্যবসা শুরু করেন। আগুন লেগে তার সর্বস্ব শেষ হয়ে গেছে। এখন আমরা কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মালিক পক্ষের সাহায্য সহযোগিতা কামনা করছি। গোডাউনের মালিক মোঃ রমজান হাওলাদার আরও বলেন, এখন কোম্পানির মালিক পক্ষ যদি আমাকে সাহায্য সহোযোগিতা করে তাহলে এই ব্যবসা আবারও শুরু করতে পারব।

