জয়পুরহাটে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কালাই পৌর এলাকার আওড়া গ্রামের ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়াই চাকুরী বা টাকা কোনটাই ফেরত না পাওয়াই পরিবারটি মানবতের জীবন যাপন করছে। ভুক্তভোগি পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম জানান, শ্বশুরবাড়ীর এলাকার আত্মীয় পরিচয়ের সুবাদে গত ১৮ মাস পূর্বে ইমরান হোসেন জহুরুলের ছেলেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। ইমরানের কথায় সরল বিশ্বাসে বিভিন্ন সময় মোটরসাইকেল, গরু বিক্রি ও জমি বন্ধক রেখে মোট ৫ লক্ষ টাকা দেন তাকে। কিন্তু এরপরও কোনো চাকরির ব্যবস্থা হয়নি। তাকে চাকুরীর কথা বললে ইমরান চাকুরী বিজ্ঞপ্তি আজ হবে কাল হবে বলে কালক্ষেপণ করতে থাকে। চাকরি প্রত্যাশী জহরুলের ছেলে বলেন, ইমরান আমার সম্পর্কে খালু হওয়াই তাকে বিশ্বাস করে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। এর মধ্যে কিছু টাকা স্ট্যাম্প ও ব্যাংক চেকের মাধ্যমে দেওয়া ছিল। গত ২৬ জুলাই বিকেলে কালাই এক বৈঠকে ইমরান এক লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। এখনও ৪ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এ ঘটনার কারণে আমার পরিবার ও সাংসারিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে এলাকার সাহিন ও মোনিরা বলেন, আমাদের এলাকার জামাই ইমরান সম্পর্কে জহরুলের ভায়রা। ছেলেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জহরুলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে ইমরান এলাকা ছেড়ে দেন। এসব প্রতারকের বিরুদ্ধে বিচার হওয়া উচিত। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইমরান মুঠোফোনে জানান, আমি ওই এলাকায় বিয়ে করেছি ঠিকই, তবে আমি চাকরির কোনো আশ্বাস দিইনি। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সামান্য কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। টাকা ফেরত দিয়েছি। ওরা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে আমার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ ময়নুল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

