ফুলবাড়ী কোল ষ্টোরেজ প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করার সময় ফুলবাড়ী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান প্রায় ৩৭ কোটি টাকা কয়েকবারে ঋণ নেন। ফুলবাড়ী কোল ষ্টোরেজ প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয় ২০০৮ সালে। এরপর ফুলবাড়ী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এর টাকা পরিশোধ না করে টাল বাহানা শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে টাকা আদায়ের লক্ষ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখা যুগ্ম জেলা জজ প্রথম ও অর্থ ঋন আদালত দিনাজপুর অর্থ ঋণ আদায় আইন ২০০৩ এর (৩০) ৪ ধারা মতে ২য় বার নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন। যার মামলা নং-৩৮/২০২২অর্থ ঋণ ডিং। ফুলবাড়ী কোল ষ্টোরেজ লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী ৩ জন হলে ডাঃ মিজানুর রহমান, আজিজুর রহমান চৌধুরী ও মোঃ কামরুল আলম। এই ৩ জনকে বিবাদী করে ফুলবাড়ী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মামলা দায়ের করেন। তবে ঋণ গ্রহণের সময় ২ একর ০৮ শতক জমি কাগজ কলমে দেখিয়েছেন। আর প্রকল্পটি স্থাপিত মেশিনারিজের বিবরণ যন্ত্রপাতি সরঞ্জামাদি ও খুচরা যন্ত্রাংশ মেশিন প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয় মূল্য দেখিয়েছেন ১,৯১.৯৯ লক্ষ টাকা। স্থায়ী মেশিনারিজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইটেম ডিজেল জেনারেটর মূল ২৫ লক্ষ টাকা, ইলেক্ট্রিক সাব স্টেশনের মূল্য ১৭ লক্ষ টাকা, কন্ডেনার একটি কার্বণ স্টিল পাই এন্ড পাই ফিটিং এর মূল্য দেখিয়েছেন ১৭ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬০০ টাকা, বিদেশী কোলিং ক্ষমতা সম্পূর্ণ সরঞ্জামাদির মূল্য ৩৫ লক্ষ টাকা উল্লেখ্য করেছেন কোল ষ্টোরেজ নিলামকারী রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখা। গত ০১/০৭/২০২৫ইং তারিখে ব্যাংক নিলাম বিজ্ঞপ্তি দিলে কোল ষ্টোরেজ এর স্বত্ত্বাধিকারী ডাঃ মিজানুর রহমান উচ্চ আদালতে মামলা করে ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে দেন। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী কোল ষ্টোরেজ লিঃ এর স্বত্তাধীকারী ডাঃ মিজানুর রহমানের সাথে ০১৭১১৫২৭০৬৬ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। কোল ষ্টোরেজের ম্যানেজার সাদাকাত আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কৃষি ব্যাংকের পাওনার বিষয়ে কোল ষ্টোরেজের মালিক উচ্চ আদালতে মামলা করে ৬ মাসের জন্য নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করেছেন বলে জানতে পারি। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক গণমাধ্যমকে জানান, আদালতে মামলা হয়েছে। নিলাম বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে টাকা আদায়ের জন্য।

