ঢাকাWednesday , 9 July 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঠাকুরগাঁওয়ে লোমহর্ষক দস্যুতা : ৮ লাখ টাকা লুট

Link Copied!

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের মুন্সিরহাট সংলগ্ন জোড়া ব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ দস্যুতা ও বিপুল অঙ্কের টাকা লুটের ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো হরিহরপুর এলাকার মানিক হোসেন (৩৬), ঘোষপাড়ার আলভী আহমেদ (২৯) এবং গোবিন্দনগর এলাকার রানা (২৩)। গত ৭ ও ৮ জুলাই রাতে এদের গ্ৰেফতার করে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন রাতে ব্যবসায়ী কুতুব উদ্দিন তার ভাতিজার মুদি দোকান থেকে দৈনিক বিক্রয়ের ৭ লাখ ৯৪ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। চার্জার অটোরিকশায় চড়ে ফিরছিলেন তিনি। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সুক নদীর উপরের জোড়া ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে চারজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুতুব উদ্দিনের ওপর হামলা চালায় এবং গুরুতর জখম করে তার টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। পরে দুইটি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ঘটনার পর ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করে তদন্ত শুরু করে। ৮ জুলাই গভীর রাতে দুরামারী মোড় এলাকা থেকে আলভী আহমেদ এবং কিছু সময় পর রেলগেট এলাকা থেকে মানিক হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এর একদিন আগে একই মামলার আরেক আসামি রানাকে আটক করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মানিক হোসেন একজন চার্জার অটোরিকশাচালক, যিনি ভিকটিম কুতুব উদ্দিনের দৈনন্দিন গতিবিধি সম্পর্কে আগেই অবগত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে তিন আসামিই দস্যুতা সংঘটনের কথা স্বীকার করেছে। মানিক হোসেনের বাড়ি থেকে লুট হওয়া অর্থের ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও, আলভী আহমেদের মালিকানাধীন একটি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে, যেটি দস্যুতার সময় ব্যবহৃত হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামি আলভী আহমেদের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এই তিনজন একটি সংঘবদ্ধ দস্যু দলের সক্রিয় সদস্য এবং জামিন পেলে তারা পুনরায় আত্মগোপনে গিয়ে একই ধরনের অপরাধে লিপ্ত হতে পারে। এই ঘটনায় পুরো শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকে দাবি তুলেছেন রাতে নিরাপত্তা জোরদার করা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে নজরদারি বাড়ানোর। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।