যশোরের কেশবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ছাত্রজনতার দাবির মুখে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হয়েছে। জানা গেছে, গতবছর ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রফিকুল ইসলাম তার বাড়ি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে তিনি কেশবপুর পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ভবানিপুরস’ নিজ বাড়িতে অবস্হান করছে এমন সংবাদে উত্তেজিত জনতা ধাওয়া করলে সে দৌড়ে পাশের বাড়িতে অবস্হান নেয়। এলাকাবাসী ঐ বাড়ি ঘিরে রেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাকে আটক করে কেশবপুর থানায় নিয়ে আসেন। আটক সাবেক মেয়র ভবানিপুর গ্রামের মৃত শামসুর মোড়লের ছেলে। ২০১৫ সালে বিতর্কিত নির্বাচনে পেশী শক্তির মাধ্যমে কেশবপুর পৌর সভার পদ দখল করেন বলে অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বুধবার কেশবপুর থানা পুলিশ তাকে আটকের সময় জনতা তাকে কিল, ঘুষি, চড়, থাপ্পড় মারে। এক পর্যায় সে দৌড়ে থানার ভিতরে ঢুকে পড়ে। আটকের সময় উপস্হিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা ছাত্র সমন্বয়কদের নেতা মিরাজ হোসেন ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সুইট প্রমূখ। এ সময় কেশবপুর থানা পুলিশ উক্ত বাড়ি থেকে ৫টি কমিপউটারের পিসি ও ৫টি ডেস্কটপ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। কেশবপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, আটক কৃত সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার অর্থ যোগানদাতা ও পরামর্শ দাতার অভিযোগে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

