ঢাকাSaturday , 21 June 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্ষেতলালে পূর্ব শত্রুতার জেরে সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর

Link Copied!

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবককে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে গুদামে আটকে রেখে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২০ জুন) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবক নাজিম সমন্তাহার গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। অভিযুক্ত রুহুল আমিন সবুজ একই ইউনিয়নের নুরুল ইসলামের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে বসতবাড়ির পানি নিষ্কাশন নিয়ে নাজিমের বাবা মতিউর রহমান এবং সবুজের বাবা নূরুল ইসলামের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন সকাল ৮টায় একটি বন্ধ জলনিষ্কাশন পথ খোলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর সকাল ১১টায় নাজিম তার বোনের বাড়ি যাওয়ার পথে চৌমুহনী বাজারে পৌঁছালে সবুজ ও তার সহযোগীরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে নাজিমকে মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে তাকে স্থানীয় একটি গুদামে আটকে রেখে লোহার পাইপ ও লাঠি দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে। আহতের পরিবার জানায়, স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন নুরুল ইসলাম , তার ছেলে রুহুল আমিন সবুজ, ধনতলা গ্রামের সাব্বির ইসলাম, মিনিগাড়ী গ্রামের সিয়াম ইসলাম এবং সবুজের শ্বশুর নজরুল ইসলাম। প্রতিবেশী ব্যবসায়ী তারাজুলসহ একাধিক ব্যক্তি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চালিয়ে নাজিমকে গুদামে আটকে রেখে মারধর করা হয়েছে। আমরা নিজের চোখে দেখেছি। নাজিমের মা বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে কারো ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল না। এটা পরিকল্পিত হামলা। আমার একমাত্র ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এর ন্যায়বিচার চাই। অভিযুক্ত রুহুল আমিন সবুজ জানান, আমার বাবাকে মারধরের কথা শুনে রাগের মাথায় নাজিমকে কয়েকটি থাপ্পড় ও পাইপ দিয়ে তিনটি বারি দিয়েছি। পরে আমার স্ত্রী তাকে ঘরে বসিয়ে রাখে। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসমত আলী বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।