র্যাব-৫ এর সিপিসি-৩ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল জয়পুরহাট সদর থানার চাঞ্চল্যকর দস্যুতা মামলার প্রধান আসামী আক্তার হোসেন ওরফে আক্তার আলমকে গ্রেফতার করেছে। তিনি জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানার শালুকডুবি গ্রামের বাসিন্দা এবং নাজিমুদ্দিনের পুত্র। সোমবার (১৬ জুন) বেলা দুইটায় র্যাব-৫ এর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গত ২ মে রাতে জয়পুরহাট সদর উপজেলার হাতিল বুলুপাড়া এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর দস্যুতা ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়িক কাজে বের হওয়া মোশারফ হোসেন পলাশ রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে মুখোশধারী দুই দস্যুর কবলে পড়েন।
দস্যুরা রাস্তার দুই পাশে রশি বেঁধে ফাঁদ তৈরি করেছিল। মোশারফ হোসেন বিষয়টি টের পেয়ে মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে, তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেয়। সেই রাতেই একই এলাকায় আরও দুটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মোট ৩টি মোটরসাইকেল ও ৩,৫০০ টাকা লুট করে দস্যুরা পালিয়ে যায়। ভিকটিম মোশারফ হোসেনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জয়পুরহাট সদর থানায় ৩০ মে মামলা রুজু হয় যার মামলা নম্বর-৪৯, ধারা ৩৯৪, দণ্ডবিধি)। মামলার তদন্তে র্যাব- ৫ এর সহায়তা চাওয়া হলে তারা প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে দস্যু দলের মূল হোতা আক্তার হোসেনকে শনাক্ত করে। পরবর্তীতে ১৬ জুন রাত ১:৪৫ মিনিটে জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানার শালবন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব। আসামীকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জয়পুরহাট সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে র্যাব জানিয়েছে।

