দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউপির তেলিপাড়া গ্রামে এনামুল হক এর সাথে প্রতিপেক্ষর সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জেরে বাড়ী ভাংচুর ও হামলা করা হয়। এই ঘটনায় এনামুল হক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী তেলিপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমানের পুত্র এনামুল হকের গত ২৭ আগস্ট ফুলবাড়ী থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্র যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এলুয়াড়ী নতুন আবাসন গ্রামে গিয়ে প্রতিপক্ষরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আলতাফ হোসেন, পিতা: মকছেদ মন্ডল, মোঃ ইমরান পিতা: মোজাফ্ফর রহমান, মোঃ আনিছুর রহমান, পিতা: মৃত আব্দুল হামিদ, মোঃ আল মাহাবুবুর, পিতা: মৃত আব্দুল হামিদ, মোঃ আলমগির পিতা: মৃত আব্দুল হামিদ সর্বসাং-এলুয়াড়ী (লিচুপাড়া) গংরা দলদ্ধ হয়ে ৩০-৪০ জন ব্যক্তি এলুয়াড়ী নতুন আবাসন গ্রামে গিয়ে দেশিও অস্ত্র পশুকুড়া, রামদা, লোহার রড়, হাতুড়ি ও বাঁশের লাঠি নিয়ে বাড়ী ভাংচুর ও তাণ্ডব চালায় এনামুল হক প্রাণের ভয়ে বাড়ী থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাড়ীতে ফিরে এসে দেখে প্রতিপক্ষরা বাড়ীর মালামাল লুট করে এবং ভাংচুর চালায়। ফুলবাড়ী সোনালী ব্যাংক থেকে উত্তোলনকৃত ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এবং ঘরের ডয়ারে থাকা ৮০ হাজার টাকা পাসপোর্ট ও জমির দলিল সহ বাড়ীতে থাকা হাঁস মুরগি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় এনামুল হক জানান, আমি এলুয়াড়ীর নতুন আবাসন প্রকল্পে সরকারিভাবে বাড়ী বরাদ্দ পাই, সেই বরাদ্দ পাওয়া বাড়ীতে পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। প্রতিপক্ষের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ থাকার কারণে আমার বাড়ীতে হামলা করে। আমি প্রশাসনরে কাছে ন্যায় বিচার চাই। ফুলবাড়ী থানার পুলিশ এই ঘটনা জানার পর ঐ দিন রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান নবিউল ইসলাম আবাসন প্রকল্পে যান এবং ঘটনা পরিদর্শন করে গ্রাম পুলিশ পাহারা রাখেন। এ বিষয়ে এনামুল হক ২৭/০৮/২০২৪ইং তারিখে ১৩ জনকে আসামী করে ফুলবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোন গ্রহণ করেননি।

