ঢাকাSunday , 25 August 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাঁচবিবিতে অগভীর নলকূপের পূনঃ সংযোগের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী কৃষক

Link Copied!

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে অদৃশ্য কারণে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃক অগভীর নলকূপের বিছিন্ন করা বৈদ্যুতিক লাইনের পূনঃ সংযোগের দাবীতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী কৃষক বজলুর রহমান। তিনি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের বিদ্দিগ্রামের অধিবাসী। এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অগভীর নলকূপের জন্য তিনি ২০২১ সালে উপজেলা সেচ কমিটি বরাবর আবেদন করেন। সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক উপজেলা সেচ কমিটি ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারী তার নামে অগভীর নলকূপ স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান করেন। যার নং ২৪।লাইসেন্স পাবার পর সংযোগের জন্য ২০২২ সালে ২০ জুলাই জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে সংযোগ ফি, নির্মাণ ব্যয়, জামানতসহ অন্যান্য ব্যয় বাবদ ২লক্ষ ৯২ হাজার ৮শ টাকা জমা দেওয়ার জন্য গত ২০২২ সালের ৭ জুলাই বজলুর রহমানের নিকট তৎকালীন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল বারী স্বাক্ষরিত পত্র ইস্যু করেন। সেই অনুযায়ী ২৫ আগস্ট বজলুর রহমান পাঁচবিবি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের একাউন্স সেকশনে সুমুদয় টাকা জমা প্রদান করলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল সরবরাহ করে অগভীর নলকূপের সংযোগ প্রদান করেন।
সংযোগ পাওয়ার পর তিনি সেই অগভীর নলকূপ দিয়ে নিজ জমি ও এলাকায় সেচ কাজ পরিচালনা করেন এবং যথারীতি বিল পরিশোধ করেন। এক পর্যায়ে অদৃশ্য কারণে কোন নোটিশ ছাড়াই পাঁচবিবি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন তার অগভীর নলকূপের সংযোগ বিছিন্ন করে দেন। এ সময় তিনি তাদের নিকট কারণ জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর দেননি বলে জানান।
পরবর্তীতে বজলুর রহমান তার অগভীর নলকূপের সংযোগ ফিরে পেতে ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী মহামান্য হাইকোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করেন। পিটিশনের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট ব্রেঞ্চ বিধি মোতাবেক অগভীর নলকূপের সংযোগ প্রদানের আদেশ প্রদান করেন।
মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়ে পূণঃ সংযোগের আবেদন করলেও সেখানে তালবাহনা করে একই স্হানে অন্য একজনকে অগভীর নলকূপের লাইসেন্স প্রদানের পাঁয়তারা করছেন বলে জানান । এরই মধ্যে তার অগভীর নলকূপের লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে তিনি পুনরায় লাইসেন্স নবায়নের জন্য চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি টাকা জমা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বজলুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লাইসেন্স নবায়নের বিষয়ে যোগাযোগ করলে তারা বলেন যে তার অগভীর নলকূপের লাইসেন্সটি স্থগিত করা হয়েছে।
জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি পাঁচবিবি জোনাল অফিসের পাওয়ার কো-অডিনেটর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরমান হোসেনের মৌখিক নির্দেশে সংযোগটি বিছিন্ন করা হয়। তবে কি কারণে বিছিন্ন করতে বলেছেন সেটি তাদের জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা সুলতানা বলেন, এবিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। আগামী উপজেলা সেচ কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।