পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত ৫ আগস্ট সোমবার চিহ্নিত দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক পাঞ্জেরী ও মুক্ত সকাল পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক। হামলাকারীরা তাঁর মোটরসাইকেলসহ প্রেস কার্ড (পরিচয় পত্র) পুড়িয়ে দেয়। অভিযুক্তরা হলেন, তালসন গ্রামের আফতাবের ছেলে আব্দুল মমিন৷ মাটির ঘর এলাকার তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে মোঃ রাজু উভয়ে ক্ষেতলাল উপজেলার বাসিন্দা৷ দৈনিক মুক্ত সকাল নিউজ বিভাগের ইনচার্জ মোঃ কাজল বলেন, তাঁর সহকর্মী আঃ রাজ্জাক প্রতিদিনের মতো ৫ আগস্ট পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য বাসা থেকে বের হন। সহকর্মী সাংবাদিক এস এম মিলন বলেন, চলমান ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে সংঘাত-সহিংসতার মধ্যে আঃ মমিন গত ৫ আগস্ট সোমবার জয়পুরহাট বগুড়া মহাসড়ক বটতলী নামক স্থানে রাস্তায় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে টেনে হিচড়ে নামিয়ে মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে দেয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মাস পূর্বে একটি অভিযোগের ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন আব্দুল মোমিন এর কাছে এরই জেরর ধরে গত ৫ আগস্ট পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে জয়পুরহাটের উদ্দেশ্য রওনা হলে বটতলী নামক স্থান এলাকায় যাওয়ার পর লাঠিসোঁটা নিয়ে আঃ মোমিনসহ তার অনুসারীরা অতর্কিত তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং তাকে নামিয়ে মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে আহত করে। দুর্বৃত্তরা তাঁর শার্ট-প্যান্ট ছিঁড়ে ফেলে। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে বাসায় পৌঁছে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন৷ গত ৩ মাস পূর্বে আব্দুল মমিনের পরকীয়ার একটি ইন্টারভিউ নিয়েছিলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ৫ আগস্ট জয়পুরহাট এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলে বটতলী বাজারে গাড়ি থেকে টেনে নেমে আব্দুল মমিন ও তার সহকর্মী গাড়িটি পুড়িয়ে দিয়েছে৷ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্ষেতলালে দায়িত্বরত যিনি রয়েছেন তার কাছে আমি একটি অভিযোগ দিয়েছি। কোন প্রতিকার না পেলে আমি আদালতে মামলা করব৷ শোরুম থেকে মাত্র কয়েক দিন হলো মোটরসাইকেলে কিনেছিলাম কিভাবে এই নতুন গাড়িতে আগুন দিয়েছে৷ সৎ লোকের দুটি জিনিসের সঙ্গে লড়াই করতে হয় দরিদ্রতা আরেকটি হচ্ছে দুষ্ট লোকের চক্রান্ত৷

