ঢাকাTuesday , 3 November 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশকে নব্য-পাকিস্তান করাই ছিল জেলহত্যার মূল লক্ষ্য

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে, কোনো ব্যক্তিগত কারণে নয়, বাঙালিকে নেতৃত্বশূন্য করে স্বাধীন দেশকে আবার নব্য-পাকিস্তানে রূপান্তর করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য।’
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সোমবার (২ নভেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
১৯৭৫ সালে জাতীয় চার নেতার সঙ্গে একই কারাগারে বন্দি ছিলেন আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা।
আমু বলেন, সেদিন রাত ২টা ২০ মিনিটে প্রথম ব্রাশফায়ারের শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম। ২০ মিনিট পর আবারও ব্রাশ ফায়ার। ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর কাতরকণ্ঠ শুনে চার জাতীয় নেতার সবার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য ঘাতকরা আবারও ব্রাশফায়ার করে এবং বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। কারাগারে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিরল।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্র যে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে, তারই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তার নির্দেশিত পথে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে জাতীয় চার নেতা যে অসামান্য অবদান রেখেছেন সেই অবদান কোনোদিন ভোলার নয়।
তিনি আরও বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ গলাটিপে হত্যা করে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনি ও স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসন, বিভিন্ন দূতাবাসে পদায়ন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তার আসল চেহারা উন্মোচন করে। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব না থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে দেশে ফিরিয়ে এনে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়।
ভিডিও বার্তায় জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন আমির হোসেন আমু।