ঢাকাMonday , 19 October 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এক চেয়ারেই ১৯ বছর, নামে-বেমানে সম্পদের পাহাড়

Link Copied!

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম বিভাগীয় নার্সিং কনটিনিউইং এডুকেশন সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর একেএম রফিকুল ইসলামের স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, শালা-শশুর, কাজের লোকসহ নিকট আত্মীয়ের নামে ৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থাকার অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় নার্সিং কনটিনিউইং এডুকেশন সেন্টারের ঠিকাদারি দরপত্র নেন। এ সময়ে ভাগিয়েছেন প্রায় দুইশত কোটি টাকা।
অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর যে সব ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে ওইসব স্থানে প্রতিষ্ঠানগুলো অফিস অথবা সাইনবোর্ড নেই। কেউ চিনেনা ওই ব্যবহ্নত ঠিকানা।
এমনকি নিজের স্ত্রীকে অবিবাহিত দেখিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানানোর অভিযোগও রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ১৯৯৩ থেকে এই দফতরে একক রাজত্ব করা এই কর্মকর্তার পরিবারের সদস্য ও নিজের নামে- বেনামে রয়েছে প্রায় ১৯ ফ্ল্যাট। এর সবগুলোই আবার চট্টগ্রাম শহরে।
একেএম রফিকুল ইসলাম ও তার আত্মীয়স্বজনদের নামে ৯টি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরএন এন্টাপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী হলেন তার স্ত্রী। এ প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজের স্ত্রীকে অবিবাহিত দেখিয়ে করা হয় সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স। একই সঙ্গে পিএন এন্টারপ্রাইজ, শাফি এন্টারপ্রাইজ, রুনা এন্টারপ্রাইজ, লিনা এন্টারপ্রাইজ, লাবিন এন্টারপ্রাইজ, বিছমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, আবু তাহের এন্টারপ্রাইজ, আমানত এন্টারপ্রাইজ, মের্সাস হোসেন এন্ড ব্রার্দাস এবং মেসার্স রহিম এন্ড ব্রার্দাস।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠান প্রধান হওয়ার সুবাদে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি নানা অনিয়মে। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের নামে বানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ১১টি ট্রেড লাইসেন্স। এসব ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে বিনা টেন্ডারে ভাগিয়ে নিচ্ছেন তিনি এই দফতরের দরপত্র। দরপত্রের কাজে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি মোটা অংকের টাকা। এসব টাকায় চট্টগ্রাম শহরে পরিবারের সদস্যেদের নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন প্রায় ১৯টি ফ্ল্যাট। তার রয়েছে জমি ও এফডিআর, ডিপিএসসহ বিপুল অংকের ব্যাংক ব্যালেন্স।
জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে চাকরিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় নার্সিং টিনিউইং এডুকেশন সেন্টারের চীফ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে যোগদান করেন একেএম রফিকুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি এ সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত। সেই থেকে তিনি এ প্রতিষ্ঠানের সমস্ত কর্মকান্ডে এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন তিনি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, রফিকুল ইসলামের দুটি ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এতে সোনালী ব্যাংকে সর্বশেষ তার লেনদেন ছিল ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এবং তার আরেকটি ব্যাংক হিসাবেও লেনদেন করেন প্রায় ৪ কোটি টাকা। এছাড়া রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যেদের নামে-বেনামে রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় নার্সিন কনটিনিউইং এডুকেশন সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর একেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সত্য নয়। তিনি তাঁর অফিসে এ প্রতিবেদকে চা খাওয়ার দাওয়াত দেন। পরে ঢাকার জাতীয় একটি দৈনিকের বার্তা নিয়ত্রক পরিচয় দিয়ে প্রতিবেদককে নিউজ না করার জন্য হুমকি দেন।