ঢাকাWednesday , 7 October 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাক্ষুসে যমুনেশ্বরী নদী পেটে রাস্তা দুর্ভোগে ৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ

Link Copied!

সৈয়দ বোরহান কবির বিপ্লর, রংপুর : রংপুরের তারাগঞ্জে রাক্ষুসে যমুনেশ্বরী গিলে খেয়েছে ঘাটিয়ালপাড়া যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি। রাস্তাটি নদীতে ভেঙ্গে যাওয়ায় ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। এবছর বন্যার প্রথম দিকে রাস্তাটি যমুনেশ্বরীতে বিলিন হয়ে যাওয়ায় প্রথম দিকে এলাকার লোকজন রাস্তাটিতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও সম্প্রতি রেকর্ড হয়ে যাওয়া বন্যায় দ্বিতীয় বারের মত সেটিও গিলে খেয়েছে রাক্ষুসে যমুনেশ্বরী। শুধু তাই নয়, সেখানকার কয়েকটি ঘরবাড়িও নদীর পেটে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী ঘাটিয়ালপাড়া গ্রামটির ওপর দিয়ে এঁকে-বেঁকে গেছে যমুনেশ্বরী। খরার সময় নদীতে হাঁটু পানি থাকলেও বর্ষাকালে এই যমুনেশ্বরী ভয়ংকর রূপ ধারণ করে রাক্ষুসে হয়ে উঠে। এ সময় দুইদিকের পাড় গিলে খেতে থাকে যমুনেশ্বরী এরপর এক পর্যায়ে ভাঙনের সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগে পরে ৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। গ্রামগুলো হচ্ছে, ঘাটিয়ালপাড়া, উজিয়াল, মাছুয়াপাড়া, কাশিয়াবাড়ি, কালুরঘাটপাড়া। প্রথম বন্যায় কাশিয়াবাড়ি ঘাটিয়ালপাড়া যাতায়তের রাস্তাটি নদীতে ভেফু যাওয়ায় ওই এলাকার লোকজন গ্রাম থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে একটি বাসের সাঁকো নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় বারের ভয়াবাহ বন্যায় সেটিও এক রাতেই গিলে খেয়েছে রাক্ষুসে যমুনেশ্বরী। ভাঙন কবলিত ঘাটিয়ালপাড়া গ্রামের নুর হোসেন (৬২), মোরশেদ আলী (৬০), আছিয়া বেগম (৪৫), ফাতেমা বেগম (৫৫)সহ গ্রাম বাসিরা বলেন, প্রথম বর্ষায় রাস্তাটি ভেঙে নদীতে যাওয়ায় রাস্তার ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে গ্রাম থেকে হাট-বাজারে পাশে হেটে পারাপার হচ্ছিলাম। কিন্তু পরের এক নাগারি বৃষ্টিতে সেটিও নদীতে চলে গেছে। রাস্তাটি নিয়ে ৫ গ্রামের মানুষেরা সমস্যায় পড়লেও যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসাবে ওই গ্রামের অনেকেরেই বাড়ির মধ্যে দিয়ে আসা-যাওয়া করছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও অন্যান্য দ্রব্যাদি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ৭-৮ কিলোমিটার দূরত্বের বিকল্প রাস্তা দিয়ে। করলেও আতংকের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি পরিবার কেননা যে কোন সময় তাদের বসতভিটায় অবস্থিত ঘরবাড়ি নদীর পেটে চলে যাবে। তখন তখন তারা ভূমিহীন হয়ে যাবে। এ ব্যাপরে হাড়িয়ারকুঠি ইউপি চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ বাবুলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি জনপ্রতিনিধি হিসাবে ওই রাস্তাটি বেশ কয়েকবার উপজেলায় কথা বলেছি। কিন্তু নদীতে বাধ না দেয়ায় কোন ভাবেই নদীর ভাঙন ঠেকানো সম্ভব না। আমি আপনাদের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষেকে সরেজমিনে এসে পরিদর্শনপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।