ঢাকাMonday , 10 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জামিন পেলেন মেজর সিনহার সঙ্গী সিফাত

Link Copied!

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফে শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সেনা সিনহা মো. রাশেদ খান নিহতের সময় তার সঙ্গে থাকা তথ্যচিত্র নির্মাণকারী ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাত জামিন পেয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ শুনানি শেষে সিফাতের জামিন দেন। একইসঙ্গে সিফাত ও শিপ্রা দেবনাথের বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলার তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সিফাতের সঙ্গে গ্রেফতার শিপ্রা দেবনাথ রোববার (৯ আগস্ট) জামিন পান। রামুর জ্যেষ্ঠ বিচারিক দেলোয়ার হোসেন তাকে জামিন দিয়েছিলেন।
ঈদের আগের দিন ৩১ জুলাই (শুক্রবার) রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ। তথ্য চিত্র নির্মাণের জন্য সিনহা তার সঙ্গী শিপ্রা ও সিফাতকে নিয়ে কক্সবাজার গিয়েছিলেন।
স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ও শিপ্রা।
পুলিশের অভিযোগ, সিনহা তার পরিচয় দিয়ে তল্লাশিতে বাধা দেন। পরে পিস্তল তাক করলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ তাকে গুলি করে। পুলিশ সেদিন ঘটনাস্থল থেকেই সিফাতকে গ্রেফতার করে। এরপর নীলিমা রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে গ্রেফতার করা হয়।
সিনহা নিহতের ঘটনায় এবং গাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের অভিযোগে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। ওই মামলায় সিনহা এবং তার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আসামি করা হয়। আর নীলিমা রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে গ্রেফতার করার সময় মাদক পাওয়া যায় অভিযোগ করে তার বিরুদ্ধে রামু থানায় মামলা করা হয়।
তবে এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে।
এ ছাড়া গত ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাত আসামি আত্মসর্ম্পণ করলে তাদের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
আদালতে মামলার তদন্তকারী সংস্থা প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপ এবং এসআই দুলাল রক্ষিতকে ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর এবং ৪ আসামিকে দুই দিন করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া অনুপস্থিত থাকা বাকি ২ জন আসামিকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।