নিজস্ব প্রতিবেদক : গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা রুখতে হলে সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই। আমাদেরকে বাংলা সংস্কৃতির চর্চা করতে হবে।
মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ ‘২৫ বছরপূর্তি ও বার্ষিক সংগীত উৎসব ২০১৯’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এসেছে, কিন্তু নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি আমরা করতে পারিনি। যে মানুষ সংগীতকে লালন, ধারণ ও চর্চা করতে পারেন, তিনি জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতায় জড়াবেন না। তিনি সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারেন।
শ ম রেজাউল করিম বলেন, এই সমাজে সাম্প্রদায়িকতা এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় থেকে ফিরে আসা আজ অত্যন্ত জরুরি। সেক্ষেত্রে সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মানবতার জন্য ও মনুষ্যত্ব ও সুকুমার বৃত্তির বিকাশের জন্য সংগীতের প্রয়োজন। অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ, আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে অপার সম্ভাবনার মোহনীয় তান যোগাতে পারে সংগীত। অপসংস্কৃতি যেন আমাদেরকে গ্রাস করতে না পারে, সেজন্য বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি জারি, সারি, ভাটিয়ালি, কবি গান, পট গান- এসব গানকে জাগ্রত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারপারসন টুম্পা সমদ্দারসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী খন্দকার আনিকা ইসলামের হাতে নীলুফার ইয়াসমিন স্মারক বৃত্তি এবং একই বিভাগের প্রয়াত শিক্ষক শিল্পী নীলুফার ইয়াসমিনকে গুণীজন সংবর্ধনা দেয় হয়।
মঙ্গলবার সকালে দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।


