ঢাকাSunday , 10 November 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নূর ও মিলন হত্যায় এরশাদকে অপবাদ দেয়া হয়

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, নূর হোসেন ও ডাক্তার মিলন হত্যার ইস্যু তুলে দেশের মানুষকে বারবার বিভ্রান্ত করা হয়। আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে অপবাদ দেয়া হয়। এর একটা সমাধান জরুরি হয়ে পড়েছে।
রোববার দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে মহানগর উত্তর জাপা আয়োজিত ‘গণতন্ত্র দিবস’ এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জিএম কাদের বলেন, নূর হোসেন এবং ডাক্তার মিলনকে কারা হত্যা করেছে, কেন হত্যা করেছে এবং কিভাবে হত্যা করেছে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। তিনি নূর হোসেন এবং ডাক্তার মিলন হত্যার প্রকৃত খুনিদের বিচার দাবি করেন।
এরশাদকে গণতন্ত্রের প্রবক্তা উল্লেখ করে তার ছোট ভাই বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর সামরিক শাসন তুলে দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারপর থেকেই কাঠামোগত গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত আছে। তবে, গণতান্ত্রিক চর্চা ব্যাহত হয়েছে বারবার। এখন প্রতিদিনই দুর্নীতি, গুম, খুন ও সন্ত্রাস অব্যাহতভাবেই বেড়ে চলেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
‘গণতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে দুষ্টে দমন আর শিষ্টের লালন। কিন্তু এখন উল্টে গেছে সবকিছু, এখন চলছে দুষ্টের লালন আর শিষ্টের দমন। গণতন্ত্রের সঠিক চর্চা থাকলে দেশে ৫ কোটির বেশি বেকার থাকতে পারে না অভিযোগ জিএম কাদেরের।
জাপা মহানগর উত্তর সভাপতি ও পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, সুনীল শুভ রায়, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, যুগ্ম মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, যুবসংহতির সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আহসান শাহজাদা, শ্রমিক পার্টির সভাপতি একেএম আশরাফুজ্জামান খান।
সভায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, ভাইস চেয়ারম্যান আমানত হোসেন আমানত, মোস্তাকুর রহমান, হেনা খান পন্নি, ইসহাক ভূঁইয়া, নাসির উদ্দিন সরকার, সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, ডা. সেলিমা খান, কাজী আবুল খায়ের, হুমায়ন খান, আহাদ চৌধুরী শাহীন, কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সাত্তার, এমএন সেলিম, তাসলিমা আকবর রুনা, এসএম হাশেম, জহিরুল ইসলাম মিন্টু, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, রিয়াজ আহমেদ, বজলুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, নজরুল ইসলাম সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।