নিজস্ব প্রতিবেদক : বাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণপরিবহনে যৌন হয়রানি রোধে প্রচলিত আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন এবং উইমেন্স উইন্ডোজের উদ্যোগে ‘অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা একথা বলেন তারা। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ইউএসটি’র আদাবর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বাসে যৌন হয়রানি রোধ এখন সময়ের দাবি। নারীদের কর্মদক্ষতা বাড়ার কারণে তার অর্থনৈতিক মুক্তি মিললেও কখনোই সরল হয়নি চলার পথ। ঘর থেকে কর্মসংস্থান সবখানে ওঁৎ পেতে আছে যৌন হয়রানি নামের এক ভয়ঙ্কর অস্ত্র। পারিবারিক, সামাজিক সহিংসতা যা কিনা শুধু নারী হওয়ার কারণে। আজও নারীকে পণ্য ছাড়া ভাবতে পারে না পুরুষতান্ত্রিক সমাজ।
বাসে যৌন হয়রানি রোধে বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন এবং উইমেন্স উইন্ডোজ যৌথভাবে গত দুই বছর ধরে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তার-ই ধারাবাহিকতায় বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন এবং ওমেন্স উইন্ডোজ এই কর্মশালার আয়োজন করে।
বিভিন্ন সামাজিক ও নারী সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এতে উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই সংগঠন দুইটি তাদের কাজের অভিজ্ঞতা এবং সম্প্রতি গণপরিবহনে নারী নির্যাতন যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করে। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতিদিন শতকরা ৯০ জন নারী বাসে যৌন হয়রানীর শিকার হন।
তারা মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চান এবং হয়রানি বন্ধে প্রচলিত আইনের কঠোর বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগিতাও কামনা করেন।
কর্মশালায় অংশ নেয়, ইউএনডিপি, নারীপক্ষ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ, সবুজের অভিযান ফাউন্ডেশন, রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ, পার্টিসিপেটরি ডেভেলপমেন্ট অ্যাশকন প্ল্যান, ইউএসটি এবং ঝুনঝুনি শিশুতোষ পত্রিকা-র প্রতিনিধিরা।

