ঢাকাSaturday , 16 March 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাবনায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ২৫ জন

Link Copied!

পাবনা প্রতিনিধি : ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন। ঘুম নেই প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকদের। দিনরাত চষে বেড়াচ্ছেন উপজেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত।
পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে উপজেলার সর্বত্র। তবে এবারের নির্বাচনে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা মাইকে ও হাট-বাজারে কুশল বিনিময়ে সীমাবদ্ধ। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রার্থণা খুব একটা দেখা যাচ্ছেনা। সব দল নির্বাচনে না আসায় আগ্রহ হারিয়েছে ভোটাররা। উৎসবমুখর পরিবেশ তেমন একটা নেই।
পাবনায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২৫ জন। এর মধ্যে চাটমোহরে ৫ জন, ভাঙ্গুড়ায় ৫ জন, আটঘরিয়ায় ৩ জন, ঈশ্বরদীতে ৪ জন, ফরিদপুরে ৩ জন, বেড়ায় ৩ জন এবং সাঁথিয়া উপজেলায় ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর মধ্যে বেশিরভাগ উপজেলায় লড়াই হবে দ্বিমুখী। আর বিদ্রোহীদের চাপে অনেকটাই কোনঠাসা নৌকার প্রার্থীরা। অধিকাংশ উপজেলাতেই নৌকার প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরাই।
পাবনার নয়টি উপজেলার মধ্যে সবগুলো পদে ভোট হবে ৭টি উপজেলায়। সদর উপজেলায় সবগুলো পদে এবং সুজানগর উপজেলায় শুধু চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় এই দুই উপজেলায় সবগুলো পদে ভোট হচ্ছেনা।
পাবনা সদর উপজেলায় তিনটি পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন (আওয়ামী লীগ মনোনীত), পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান শাওয়াল বিশ্বাস ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার রেখা। সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহীন (আওয়ামী লীগ মনোনীত) ।
পাবনার সদর উপজেলা বাদে বাকি ৮টি উপজেলার মোট ভোটার ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ২৯ হাজার ৪২৭ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪৩৬ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৫২৩টি। মোট ভোট কক্ষ ৩ হাজার ৫৬৯টি।
চাটমোহর: জেলার অন্যতম বড় এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৫ জন। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো (নৌকা), পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ মাস্টার (ঘোড়া), চাটমোহর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা আবু হায়াত মো. কামাল জুয়েল (আনারস) ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল আলীম (দোয়াত কলম), অ্যাডভোকেট মো. আবদুস ছাত্তার (লাঙ্গল) ।
এর মধ্যে নৌকা ও ঘোড়া প্রতিকের প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে আভাস মিলছে। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভাঙ্গুড়া: এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৫ জন। এরা হলেন- জেলা আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. বাকিবিল্লাহ (নৌকা), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন (আনারস), মোস্তফিজুর রহমান (লাঙ্গল), জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান রোজ (ঘোড়া), মনছুর রহমান (আম) ।
এখানেও নৌকার সাথে লড়াই হবে ঘোড়ার। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আটঘরিয়া: এখানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন। এরা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন পান্না (নৌকা), কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-সম্পাদক তানভীর ইসলাম (মোটর সাইকেল), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ঈশারত আলী (আনারস) ।
এ উপজেলায় ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
ঈশ্বরদী: এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন লড়ছেন। এরা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান বিশ্বাস (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকলেছুর রহমান মিন্টু (আনারস), সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আতিয়ার রহমান (মোটর সাইকেল) ও মোস্তাফিজুর রহমান (দোয়াত কলম) ।
এখানে নৌকার সাথে লড়াই জমবে আনারসের। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ফরিদপুর: এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৩ হেভিওয়েট প্রার্থী। এরা হলেন- বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান (নৌকা), উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য গোলাম হোসেন গোলাপ (আনারস), উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম বকু (ঘোড়া) ।
এ উপজেলায় ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
বেড়া: এ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন। এরা হলেন- বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (নৌকা), উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন (আনারস), জাপা এরশাদ মনোনীত আলী আহাদ (লাঙ্গল) ।
এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা ও আনারসের মধ্যে। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সুজানগর: সুজানগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ভোট হবে শুধু ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে। এর মধ্যে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
সাঁথিয়া: এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ২ জন। তারা হলেন- সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার (নৌকা), বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব প্রামানিক (ঘোড়া) ।
এখানে নৌকা ও ঘোড়ার লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে সবাই। এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৭ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।