টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে ১৫ নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- পরিতোষ (২৫), ঠিকানা- অজ্ঞাত, মনির (১৮), ঠিকানা- – অজ্ঞাত, ফয়সাল (১৭), পিতা- মকবুল হোসেন ময়মনসিংহ, জনি আহমেদ (৩৪) পিতা- মৃত রমজান আলী গ্রাম- নাল্লাপাড়া, দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল, রুবেল (২৫) ঠিকানা- অজ্ঞাত, রনি (২৩), আমিনুর (২৫) ঠিকানা- অজ্ঞাত, মইন উদ্দিন (২২) ঠিকানা- অজ্ঞাত, আ. রহমান (২৩) ঠিকানা- অজ্ঞাত, মো. খাদেমুল ইসলাম (২৭) ঠিকানা- অজ্ঞাত, আরিফ (৪৮) ঠিকানা- অজ্ঞাত, রফিকুল (৪০) গ্রাম- ভবানী থানা- ফুলবাড়িয়া ময়মনসিংহ, জহুরুল (৩০) পিতা রমজান থানা ময়মনসিংহ, পরিতোষ (৩০) পিতা- প্রাণকৃষ্ণ, গ্রাম- কামারপাড়া কিশোরগঞ্জ এবং অমল রায় (৩৩) পিতা- মনোজ রায়, কিশোরগঞ্জ নিলফামারী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সিরাজুল ইসলাম জানান, নূরানী কনস্ট্রাকশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তলা মাল্টিপারপাস ভবনের নির্মাণ কাজ পায়। মঙ্গলবার তারই দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিলো। এসময় রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করে ছাদের পশ্চিম প্রান্তের উত্তর কোনা ভেঙ্গে পরে। ধ্বংসস্তুপের নীচ থেকে ফায়ার সার্ভিস এসে ১৮ জনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। পরে সেখানে তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং বাকী ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে তিনজনকে জরুরী ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যেভাবে ছাদটি ধসে পড়েছে তাতে এস্কেভেটরসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ছাড়া ভিতরে উদ্ধার কাজ চালানো সম্ভব না। তাছাড়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নূরানী কনস্ট্রাকশনের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এখানে নেই। তাই তাদের কাছ থেকেও সহযোগিতা নিতে পারছি না। আমরা পুলিশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে এই ধরনের যন্ত্রপাতি চেয়েছি, সেগুলো আসলে আবার উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারবো।’

