ঢাকাSunday , 10 March 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফেনীতে মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ফেনীর ছাগলনাইয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী জায়েদ মোহাম্মদ গোলাম ফারুককে মারধর ও তার মনোনয়নপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর চিঠি দিয়েছেন ভুক্তভোগী।
কাজী জায়েদ মোহাম্মদ গোলাম ফারুকের বাড়ি উপজেলার জয়পুর গ্রামে। ৪ মার্চ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করেছেন।
সিইসিকে দেওয়া চিঠিতে গোলাম ফারুক অভিযোগ করেন, ‘তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের লোকজন আমার গতিবিধি অনুসরণ করে আসছিল।’
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে চিঠিতে গোলাম ফারুক বলেন, ‘গত ৪ মার্চ মনোনয়নপত্র পূরণ এবং এফিডেভিট ছাড়া সব কাজ শেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য আমার গ্রামের বাড়ি থেকে একটি ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে ফেনী আইনজীবী সমিতি ভবনের উদ্দেশে রওনা হই। বেলা অনুমানিক ১২টার সময় আইনজীবী বারের কাছে মূল সড়কের পাশে একজন আইনজীবীর চেম্বারে প্রবেশ করি। সেখানে থাকা লোকের কথা অনুযায়ী নোটারি ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার জন্য বের হয়ে মূল সড়কে ওঠামাত্র ৫ থেকে ৭ জন লোক আমাকে ঘিরে ফেলে এবং কিল-ঘুষি মারতে থাকে। তারা আমাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলে। আমি রাজি না হলে আমাকে এলোপাথারি মারতে থাকে। এতে আমার পুরো শরীর, বিশেষ করে ডান হাত ও পায়ে মারাত্মক আঘাত পাই।’
তিনি বলেন, ‘আমার মনোনয়নপত্র কোথায়, তা জানতে চেয়ে তারা আমার ব্রিফকেস নিয়ে যায়। সেখানে আমার মনোনয়নপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজ, চেক বই, আইডি কার্ড, শিক্ষা সনদ, নগদ ৪২ হাজার টাকা ছিল।’
তিনি বলেন, ‘পরে আমি ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিই। রাতে ফেনী মডেল থানায় এজাহার দাখিল করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার মামলাটি নথিভুক্ত করে নাই। ফলে আমি মনোনয়নপত্রটি দাখিলের শেষ দিন ৪ মার্চ দাখিল করতে পারি নাই।