স্পোর্টস ডেস্ক : বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে ব্যাটিংয়ে বিদেশিদের দাপট থাকলেও বোলিংয়ে আধিপত্য ছিল স্থানীয় ক্রিকেটারদের।
ব্যাটিংয়ে শীর্ষ পাঁচজনের তিনজনই যেখানে বিদেশি, সেখানে বোলিংয়ে শীর্ষ পাঁচজন দেশি। গতবার বোলিংয়ে শীর্ষ পাঁচে দুজন ছিলেন বিদেশি। গতবারের মতো এবারও বোলিংয়ে সবার ওপরে আছেন সাকিব আল হাসান।
ঢাকা ডায়নামাইটস অধিনায়ক সাকিব এবার ১৫ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়েছেন। যেটি বিপিএলের এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। এর আগে কেভন কুপারের সঙ্গে ২২টি করে উইকেট নিয়ে রেকর্ডটা ভাগাভাগি করতে হচ্ছিল সাকিবকে। ১৫ ম্যাচে ১৭.৬৫ গড়ে ও ৭.২৫ ইকোনমি রেটে ৫৬ ওভারে সাকিব রান দিয়েছেন ৪০৬। বাঁহাতি স্পিনারের সেরা বোলিং ১৬ রানে ৪ উইকেট।
এবার ২২টি করে উইকেট পেয়েছেন তিনজন- তাসকিন আহমেদ, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও রুবেল হোসেন। তবে তিনজনের মধ্যে রান কম দেওয়ায় তাসকিন দ্বিতীয়, মাশরাফি তৃতীয় ও রুবেল আছেন চতুর্থ স্থানে।
সিলেট সিক্সার্সের হয়ে তাসকিন ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়েছেন ১৪.৪৫ গড়ে ও ৮.৫৫ ইকোনমি রেটে। ডানহাতি পেসার ৩৭.১ ওভারে দিয়েছেন ৩১৮ রান। সেরা বোলিং ২৮ রানে ৪ উইকেট।
রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক মাশরাফি ১৪ ম্যাচে ৫৫ ওভারে দিয়েছেন ৩৮৭ রান। ডানহাতি এই পেসার ২২ উইকেট নিয়েছেন ১৭.৫৯ গড়ে ও ৭.০৩ ইকোনমি রেটে। তার সেরা বোলিং ১১ রানে ৪ উইকেট।
আরেক ডানহাতি পেসার ঢাকার রুবেল ২২ উইকেট নিতে ৫২ ওভারে রান দিয়েছেন ৪০৭। তার বোলিং গড় ১৮.৫০ ও ইকোনমি রেট ছিল ৭.৭২। সেরা বোলিং ২৩ রানে ৪ উইকেট।
১৩ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে তালিকায় পাঁচে আছেন চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ডানহাতি পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৪৬ ওভারে সাইফউদ্দিন দিয়েছেন ৩৫৬ রান। ১৭.৮০ গড়ে ৭.৭৩ ইকোনমি রেটে বোলিং করেছেন তরুণ এই পেসার। তার সেরা বোলিং ২২ রানে ৪ উইকেট।
এ ছাড়া ঢাকার অফ স্পিনার সুনীল নারিন ১৫ ম্যাচে ১৮, চিটাগং ভাইকিংসের পেসার আবু জায়েদ রাহী ১৩ ম্যাচে ১৮, রংপুর রাইডার্সের পেসার ফরহাদ রেজা ১৪ ম্যাচে ১৭, চিটাগংয়ের পেসার খালেদ আহমেদ ১৩ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন। ১৬ উইকেট আছে তিনজনের- কুমিল্লার ওয়াহাব রিয়াজ ও শহীদ আফ্রিদি এবং রাজশাহী কিংসের আরাফাত সানী। রংপুরের শফিউল ইসলামের শিকার ১৫ উইকেট।

