ঢাকাTuesday , 29 January 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জমি ব্যবহারে নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : জমি ব্যবহারে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘দেশের সব জমির যেন সঠিক ব্যবহার হয়। এ জন্য কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’ এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। সভায় মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ কথা জানান।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। মিটারগেজ সব রেল লাইন পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজ করার জন্য বলেছেন। সারা দেশের জমির জন্য একটি ডিটেইল প্ল্যান করার কথা বলেছেন। যেন জমির সঠিক ব্যবহার করা যায়। ফসলি জমিতে যেন কোনোভাবেই শিল্প প্রতিষ্ঠান করা না হয় সে ব্যপারে নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিটি শিল্প কারখানায় আধুনিক বর্জ ব্যবস্থাপনা (ইটিপি) রাখার ওপর আবারো জোড় নির্দেশনা দিয়েছেন।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রেলের ছোট যন্ত্রাংশ নিজেদের তৈরি করতে। আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনতে।’ এম এ মান্নান বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমরা খুবই ভালো করেছি। যেটা এ নির্বাচনে আমাদের ভোট পেতে সহায়তা করেছে।’
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নয়টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প পাঁচটি আর সংশোধিত প্রকল্প চারটি।
প্রকল্পগুলোর জন্য ব্যয় হবে প্রায় ১৬ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ প্রায় ২ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা।
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘৭০টি মিটার গেজ (এমজি) ডিজেল ইলেকট্রিক (ডিই) লোকোমোটিভ সংগ্রহ (প্রথম সংশোধিত) (প্রস্তাবিত)’ প্রকল্পে ২ হাজার ৬৫৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ৬১৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ২ হাজার ৪৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। আজকের একনেক সভায় এর মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
বিদ্যুৎ বিভাগের ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ (১৯.৫ লাখ গ্রাহক সংযোগের সংস্থানসহ)’ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৬৯০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। আজকের একনেক সভায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানকল্পে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড স্থাপন (সংশোধিত)’ প্রকল্পে ১ হাজার ৩২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পুরোটা সরকারি অর্থায়নের এই প্রকল্প ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করার কথা ছিলো। আজকের সভায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল সড়কের ষষ্ঠ কিলোমিটারে ১০৩.৪৩ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পে ১০২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে ২০১৭ সালের জুলাই শুরু হওয়া এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালের জুনে। এর সময় বাড়িয়ে করা হলো ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।
নতুন প্রকল্প পাঁচটি। এর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘কক্সবাজারে লিংক রোড-লাবনী মোড় সড়ক (এম-১১০) চার লেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পে ২৮৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্প ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ‘ডিজিটাল কানেকটিভিটি শক্তিশালীকরণে সুইচিং ও ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের জন্য ১৫৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্প ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের সৈয়দপুর ১৫০ মেগাওয়াট ১০ শতাংশ সিম্পল সাইকেল (এইচএসডি ভিত্তিক) বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্পে ১ হাজার কোটি ৯৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং ৪৮৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এটি ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের ‘রংপুর বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ১ হাজার ৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং সংস্থা নিজস্ব অর্থায়ন করবে ৩৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের ‘রাজশাহী বিভাগে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ১ হাজার ৫৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন হবে ৩৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।