নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের প্রধান প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন কবি ও লেখক হাবিবুল্লাহ সিরাজী।
নতুন মহাপরিচালক বৃহস্পতিবার সকালে তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে একাডেমির জনসংযোগ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।
হাবিবুল্লাহ সিরাজী এ দায়িত্বে শামসুজ্জামান খানের স্থলাভিষিক্ত হলেন। দশ বছর দায়িত্ব পালনের পর গত মে মাসে তার মেয়াদ শেষে মহাপরিচালকের পদটি শূন্য ছিল।
আশির দশকে জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখা কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী ২০১৬ সালে একুশে পদক পান। তার আগে ১৯৯১ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
এছাড়া তিনি ১৯৮৭ সালে যশোর সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ২০০৭ সালে বিষ্ণু দে পুরস্কার, ২০১০ সালে রূপসী বাংলা পুরস্কার, একই বছরে কবিতালাপ সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পদক, পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন।
কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩২টি। কবিতার পাশাপাশি উপন্যাস, প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথাও লিখেছেন তিনি। এছাড়া তিনি লিখেছেন ১০টি ছড়া-পদ্যও।
‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’, ‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’, ‘মধ্যরাতে দুলে ওঠে গ্লাশ’, ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’, ‘আমার একজনই বন্ধু’, ‘পোশাক বদলের পালা’, ‘প্রেমের কবিতা’,‘কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা’, ‘সিংহদরজা’, ‘জয় বাংলা বলোরে ভাই’, ‘সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না’, ‘স্বনির্বাচিত প্রেমের কবিতা’, ‘কতো কাছে জলছত্র’, ‘কতোদূর চেরাপুঞ্জি’ ‘ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই’, ‘ইতিহাস বদমাশ হলে মানুষ বড়ো কষ্ট পায়’ তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
হাবিবুল্লাহ সিরাজীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর, ফরিদপুরে। তিনি পেশাগতভাবে একজন প্রকৌশলী ছিলেন।

