রংপুর প্রতিনিধি : সোমবার মহা ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। চলছে প্রতিমা সাজানোর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
এবছর রংপুর বিভাগে গত বছরের চেয়ে পূজামন্ডপ বেড়েছে। রংপুর বিভাগে (মেট্রোপলিটন এলাকা বাদে) ৫ হাজার ৯৮টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১ হাজার ২৯০ পূজামন্ডপ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ডিআইজি অফিস সূত্রে জানা গেছে , এবছর রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ৫ হাজার ২৬৫টি মন্ডপে দূর্গোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এরমধ্যে মেট্রোপলিটন এলাকা ব্যতিত রংপুর জেলায় ৭৩৪টি, গাইবান্ধায় ৬১০, কুড়িগ্রামে ৫২৫, লালমনিরহাটে ৪৩২, নীলফামারীতে ৮৫৪, দিনাজপুরে ১২১৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৫৪ এবং পঞ্চগড়ে ২৭৫টি পূজামন্ডপ রয়েছে। এছাড়াও রংপুর শহরে ১৬৭টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
রংপুর শহরের শ্রী শ্রী করুণাময়ী কালিবাড়ি, ধর্মসভা, গুপ্তপাড়া মন্দির, কলেজ রোড আনন্দময়ী সেবাশ্রমসহ বিভিন্ন এলাকার মন্দির ঘুরে দেখা গেছে, ছোট বড় সব মন্দিরেই এখন চলছে শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি। রঙ তুলির ছোঁয়ায় প্রতিমার আকর্ষণ বাড়ানোর পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন মন্ডপ সাজানোর অঘোষিত প্রতিযোগিতা চলছে।
উৎসবের প্রস্তুতি সম্পর্কে রংপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ধীমান ভট্টাচার্য্যে জানান, রঙ তুলির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার মুহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, ‘প্রতিমা তৈরি কার্যক্রমের শুরু থেকেই সতর্ক নজরদারি রাখা হয়েছে, যাতে কোন ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট না হয়। দুর্গোৎসব আনন্দ মুখর পরিবেশে উদযাপন করার লক্ষ্যে প্রতিটি পূজা মন্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, দুর্গোৎসবকে ঘিরে কোনো ধরনের হামলার কিংবা অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই। প্রতিটি পূজা মন্ডপের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

