নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, রাজধানীতে আর লেগুনা চলবে না। লেগুনার কারণে রাজধানীর সড়কগুলোতে সবচেয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। সড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণও এই লেগুনা।
তিনি বলেন, লেগুনার কোনো রুট পারমিট নেই। রাজধানীতে এতদিন যারা লেগুনা চালিয়েছে, তারা অবৈধভাবে চালিয়েছে। রাজধানীতে তাদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে মাসব্যাপী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, তবে ঢাকার উপকণ্ঠে লেগুনা চলতে বাধা নেই।
হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল নয় :কোনো মটরসাইকেল চালকের হেলমেট না থাকলে তার গাড়িতে জ্বালানি সরবরাহ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি জানান, মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় হেলমেট না থাকলে তিনি রাজধানীর কোনো পাম্প থেকে তেল কিনতে পারবেন না। হেলমেট ছাড়া কেউ কোনও পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি নিতে গেলে তাদের জ্বালানি দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলো এই কার্যক্রম চালু করেছে। তাদের এ বিষয়ে পুলিশ নির্দেশনা দিয়েছে। মোটরসাইকেলে দুজনের বেশি চড়তে পারবে না।
১২১টি বাসস্ট্যান্ড :ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমরা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সহযোগিতায় মহানগরীতে ১২১টি বাস স্টপেজ নির্ধারণ করেছি। মহানগরীতে চলাচলকারী বাসগুলো কেবল সেখানেই থামবে। পথে বাসের দরজা বন্ধ থাকবে। স্টপেজ ছাড়া কোথাও কোনও যাত্রী ওঠানামা করতে পারবে না। বাসস্টপেজ ছাড়া কোথাও বাস থামলে তাদের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
প্রসঙ্গত, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্বিতীয় দফায় ঢাকাসহ সারা দেশে ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পুলিশের বিশেষ অভিযান। আইন প্রয়োগে কঠোরতার পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও হাতে নিয়েছে পুলিশ। মাসব্যাপী এই অভিযান চলবে। পুলিশের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও স্কাউটরাও কাজ করবেন এ অভিযানে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক আইন ও সড়কে নিরাপদ থাকার বিষয়টি জানা না থাকলে সড়ক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবেই।

