
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বের হয়ে যাচ্ছেন পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক : বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কোনো চুরি বা দুর্নীতি হয়নি। যা হয়েছে তা টেকনিক্যালি সিস্টেম লস। সারা পৃথিবীতেই এটা হয়। আমাদের লস হয়েছে ১.৪ ভাগ। সারা বিশ্বে ঘটে ২ থেকে ১০ ভাগ।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বড় পুকুরিয়া কয়লাখনির সদ্য বিদায়ী এমডি হাবিব উদ্দীন আহমেদ।
তিনি আরও বলেন, এটা হয়তো শুনে বিশ্বাসযোগ্য মনে না হতেও পারে। কিন্তু যারা বিশেষজ্ঞ, তারা এটা বুঝতে পারবে। কয়লায় অনেক ডাস্ট থাকে। ময়েশ্চার থাকে। সব মিলে এ শূন্যতা তৈরি হয়েছে ২০০৫ সাল থেকে। আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সব তথ্য দিয়েছি। আশাকরি তদন্তে সব উঠে আসবে।
বড় পুকুরিয়া কয়লা কাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে পেট্রোবাংলা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।
বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কয়লা খনির সদ্য সাবেক এমডি হাবিব উদ্দিন আহমদ, কোম্পানি সচিব আবুল কাশেম প্রধানীয়া, ব্যবস্থাপক (এক্সপ্লোরেশন) মোশাররফ হোসেন সরকার, ব্যবস্থাপক (জেনারেল সার্ভিসেস) মাসুদুর রহমান হাওলাদার, ব্যবস্থাপক (প্রডাকশন ম্যানেজমেন্ট) অশোক কুমার হালদার, ব্যবস্থাপক (মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন) আরিফুর রহমান, ব্যবস্থাপক (ডিজাইন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) জাহিদুল ইসলাম ও উপ-ব্যবস্থাপক (সেফটি ম্যানেজমেন্ট) একরামুল হককে।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ জিজ্ঞাসাবাদ চলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামছুল আলম বলেন, আমরা তদন্ত করছি। তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবেনা।

