ঢাকাMonday , 27 August 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আকাশছোঁয়া দামে বাজারে শীতকালীন সবজি

Link Copied!

বাজারে বিক্রি হচ্ছে শীতকালীন সবজি

নিজস্ব প্রতিবেদক : শীত না পড়লেও এরইমধ্যে বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করেছে। তবে এসব সবজির দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে, অনেকটা আকাশছোঁয়া। তবে অন্য শাকসবজির দাম ও সরবরাহ মোটামুটি সহনীয়। মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা বেশি। সোমবার মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের পর ক্রেতা-বিক্রেতায় বাজার এখনও জমজমাট হয়নি। মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা বেশি। বাজারে প্রতি কেজি শিম ১৫০ টাকা থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটর শিমের কেজি ২শ’ টাকা।
দু’ থেকে আড়াই’শ গ্রাম ওজনের ছোট ছোট ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই আকারের বাধাকপি প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।
বরবটি প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গাজর ১০০-১১০ টাকা এবং টমেটো ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এই সবজিগুলো ছাড়া অন্য শাকসবজির বেশিরভাগের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।
পটল ৫০-৬০ টাকা, কাঁকরোল ৩৫-৪০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, চিচিঙা ৫০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০-৬০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, আলু ২৫-২৮ টাকা ও করলা ৫০-৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচা কলা ৩৫ থেকে ৫০ টাকা হালি, লাউ প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, লাল শাক আঁটিভেদে ১৫-২০ টাকা, লাউ শাক ২০-২৫, পুঁই শাক ১৫-২০ টাকা, পাট শাক ১৫-২০ টাকা ও ডাটা শাক ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ৪০-৬০ টাকা ও রসুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের কিছুটা নাগালের বাইরে। আকারভেদে জ্যন্ত রুই মাছ ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মৃত রুই কেজিতে ২২০ টাকা থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগের চেয়ে এ দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি।
দেড় থেকে পৌনে দুই কেজি আকারের ইলিশ মাছ দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ১৪০০/১৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৫০০ গ্রাম থেকে ৮০০/৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার টাকা থেকে ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি মাছ আকারভেদে ৫০০ থেকে এহ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বড় বাইন মাছ ৭০০ টাকা, আইড় মাছ ৫০০-৭০০ টাকা, চিতল মাছ ৫০০-৬০০ টাকা ও শিং মাছ ৬০০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া মাছ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙাস মাছ ১৫০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বেসরকারি চাকরিজীবী ক্রেতা মোক্তার হোসেন বলেন, শাকসবজি, মাছ সবকিছুর দামই আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য বেশি। বিশেষ করে মাছের দাম আমাদের জন্য অনেক বেশি। তবে শাকসবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত বলে মনে করেন তিনি।
সবজি বিক্রেতা রেজাউল হক বলেন, আমরা যে হারে কিনি সে হারে বিক্রি করি। কিছু শাকসবজি বাজারে নতুন আসতে শুরু করেছে, আবার কয়েকটির সিজন শেষ সেগুলোর দাম একটু বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। অন্য শাকসবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল।
মাছ বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর বাজারে ক্রেতা কিছুটা কম থাকায় আমদানি কিছুটা কম। এজন্য কিছু কিছু মাছের দাম ঈদের আগের চেয়ে সামান্য বেশি।
তিনি বলেন, বাজারে মাছের দাম মোটামুটি কমই। অনেকের কাছে কিছুটা বেশি হতে পারে। কিন্তু আমরা যে হারে পাইকারি কিনি সেভাবে বিক্রি করতে হয়।