ঢাকাMonday , 22 December 2014
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তারেককে পাইলেই ধাওয়া দেবে যুক্তরাজ্য আ.লীগ

Link Copied!

Tareqসিলেট প্রতিনিধি : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই ধাওয়া দেবে আওয়ামী লীগ। এমন ঘোষণাই দিয়েছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান।
সোমবার দুপুরে সিলেট নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ সাজিদুর রহমান বলেন, ‘তারেক রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলে কুলাঙ্গারের পরিচয় দিয়েছে। অসুস্থ ও মস্তিষ্ক বিকৃত তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছে। সেখানে থেকে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃত করে বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। এসব বক্তব্যে তার মস্তিষ্ক বিকৃতির পরিচয় ফুটে উঠেছে। লাখ লাখ প্রবাসী বাঙালি তার বক্তব্যে ধিক্কার জানাচ্ছে।’
জিয়াউর রহমানকে খুনি ও তারেক রহমানকে তার কুপুত্র আখ্যা দিয়ে এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সৈয়দ সাজিদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তি কুলাঙ্গার তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশ থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে। আমরা তারেক রহমানকে যেখানে পাবো, তাকে সেখানেই ধাওয়া দেবো এবং প্রতিরোধ করব।’
তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণেই জিয়া পরিবার রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র না হলে জিয়াউর রহমান সামান্য বেতনের সেনা অফিসার হিসেবে বিদায় নিতেন। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হওয়া তো দূরে থাক, রাজনৈতিক নেত্রী হওয়ার সুযোগও পেতেন না।’
জাতির কাছে তারেক রহমানকে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বানও জানান যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের এই নেতা। না হয় তার ‘কুরুচি’ ও ‘ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ বক্তব্যের সমুচিত জবাব দেয়ার হুমকি দেন সাজিদ।
প্রসঙ্গত, ৪৪তম বিজয় দিবস উপলক্ষে গত ১৫ ডিসেম্বর পূর্ব লন্ডনের দ্য অট্রিয়াম অডিটরিয়ামে যুক্তরাজ্য বিএনপির আটদিনের অনুষ্ঠানমালার সপ্তম দিনের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহহমান বলেন, ‘তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বলছি, শেখ মুজিব রাজাকার, খুনি ও পাকবন্ধু ছিলেন। একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আসার ঠিক আগে ইয়াহিয়া খানকে প্রেসিডেন্ট মেনে তার সঙ্গে সমঝোতা করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।’
তিনি আরো বলেন, ‘শেখ মুজিব ২৫ মার্চ রাতে স্বাধীনতাকামী জনগণের ওপর হামলার আগ পর্যন্ত ইয়াহইয়া খানের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য আলোচনা চালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতাকামী জনগণ তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার খায়েশ নস্যাত করে দিয়েছিল।’
তারেক বলেন, ‘একটার পর একটা অপকর্ম করে রংহেডেড শেখ হাসিনা বিপদে পড়লেই জনগণকে ধোকা দিতে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দোহাই দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করেন।’
তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিব কখনোই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নয় আন্দোলন করেছিলেন পূর্বপাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসনের জন্য। শেখ মুজিব স্বাধীনতা চাননি বলেই সুযোগ পেয়েও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। পাকিস্তান আমলের পুরো সময়টাতে শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনে কোথাও কোনো সমাবেশে প্রকাশ্যে কখনোই তার মুখ থেকে কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা উচ্চারিত হতেও শোনেনি। শেখ মুজিব চেয়েছিলেন ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে।’