ঢাকাSaturday , 30 June 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইডব্লিউজির পর্যবেক্ষণ গণমাধ্যমে যথাযথ উপস্থাপন হয়নি

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে গত ২৮ জুন প্রকাশিত ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)-এর প্রাথমিক বিবৃতি গণমাধ্যমে যথাযথভাবে উপস্থাপন হয়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শনিবার ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক বিবৃতি প্রকাশের জন্য গত ২৮ জুন ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি) সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
এতে বলা হয়েছে, ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)’র পর্যবেক্ষকরা যেসব ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছেন, সেগুলোর ৪৬.৫ শতাংশ কেন্দ্রে ১৫৯টি নির্বাচনী অনিয়মের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত শিরোনাম এবং প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ইডব্লিউজি’র প্রাথমিক বিবৃতির তথ্য-পরিসংখ্যান যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ের ব্যাখ্যায় ইডব্লিউজি থেকে বলা হয়েছে, ইডব্লিউজি ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১২৯টি অর্থাৎ ৩০.৪ শতাংশ কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছে এবং সকল তথ্য-পরিসংখ্যান শুধু ওই সব কেন্দ্র থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক বিবৃতি অনুযায়ী, ইডব্লিউজি ৬০টি কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম পেয়েছে, যা পর্যবেক্ষিত ১২৯টি কেন্দ্রের ৪৬.৫ শতাংশ।
প্রাথমিক বিবৃতির কোনো লাইনে কিংবা সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউজি কখনো বলেনি যে নির্বাচন ‘সুষ্ঠু হয়নি’। ইডব্লিউজি’র এই বিবৃতি নির্বাচন দিনে শুধু পর্যবেক্ষিত ৩০.৪ শতাংশ কেন্দ্র থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। যেসব কেন্দ্র ইডব্লিউজি পর্যবেক্ষণ করেনি, সেসব কেন্দ্র সম্পর্কে মন্তব্য করার সুযোগ নেই।
প্রাথমিক বিবৃতিতে বিভিন্ন রকমের ‘নির্বাচনী অনিয়মের’ কথা বলা হয়েছে, যেগুলো ইডব্লিউজি’র পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন দিনে পর্যবেক্ষণ করেছেন। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬ অনুযায়ী ওই সব নির্বাচনী অনিয়ম শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ইডব্লিউজি এসব বিষয়ও পর্যবেক্ষণ করেছে। প্রাথমিক বিবৃতিতে যে সারণী দেওয়া হয়েছে, তাতে মোট ১৫৯টি নির্বাচনী অনিয়মের কথা বলা হয়েছে, এসব ঘটনার বেশিরভাগ ছিল কেন্দ্রে অননুমোদিত ব্যক্তির উপস্থিতি (৩০টি), কেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা করা (২৮টি) এবং প্রার্থী কর্তৃক ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা-নেওয়ায় যানবাহন সবরবরাহ করা (২৪টি)।
সারণী থেকে আরও দেখা যায়, জালভোটের ঘটনা পর্যবেক্ষিত হয়েছে ২১টি; এসব ঘটনা সংখ্যাগত দিক থেকে কম এবং এগুলো ঘটেছে পর্যবেক্ষিত ১১টি কেন্দ্রে, যেখানে ইডব্লিউজি’র পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।