গাজীপুর প্রতিনিধি : বিএনপি প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. হাসান উদ্দিন সরকার অনিয়মের অভিযোগ তুলে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর শহরের জেলা বিএনপি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন। তবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে থাকবেন বলে জানান।
হাসান সরকার বলেন, ‘আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম নির্বাচনের সর্বশেষ পর্যন্ত থাকব। ইনশা আল্লাহ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকব। আমাদের কর্মীরা শত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করেও ধৈর্যে্যর সাথে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিভিন্ন কায়দা করে থাকবার চেষ্টা করেছে।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত তারা কখনো পোশাক পরে কখনো সাদা পোশাকে এবং যুবলীগ, ছাত্রলীগের কিছু কর্মী তাদের সহায়তা নিয়ে আমাদের পোলিং এজেন্টদের মারধর করেছে এবং কেন্দ্র থেকে তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। একটা বিভীষিকা সৃষ্টি করা হয়েছে। তবু আমি নিরাশ নই। জনগণ প্রত্যক্ষ করছে কী নির্বাচন হচ্ছে! আমি আশা করব, শান্তি-শৃঙ্খলার মধ্যে বাকি সময়টুকু কাটুক।’
হাসান সরকার বলেন, ‘সংবিধানিক পদের অধিকারী নির্বাচন কমিশনার। এত ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন, এটা জাতির ইতিহাস হয়ে থাকবে। একটা সিটি করপোরেশন নির্বাচন তিনি সফলতার সঙ্গে সামান্যতম বাস্তবায়ন করতে পারলেন না। আমি মনে করি না সামান্যতম বিবেকবান মানুষ এটা মেনে নিতে পারে। যদি বিবেক বলে কিছু থাকে, তাহলে আমি মনে করি স্বেচ্ছায় তার পদত্যাগ করা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিবেক জাগ্রত হউক। এত বড় ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্য প্রতিবাদ করুক। আগামী দিনে যাতে গণতান্ত্রিক অধিকার বাংলার মানুষ পায়, সেই সুমতি এই সরকারের হউক।’
এক প্রশ্নের জবাবে হাসান উদ্দিন সরকার দাবি করেন, সিটির শতাধিক কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন বন্ধ করার দাবি করছি।’ এর জন্য তিনি রিটার্নিং অফিসারের নিকট লিখিত অবিযোগ দেবেন বলে জানান।

