নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, ‘দেশে সামরিক ও স্বৈরাচারের সময় ছাত্র রাজনীতিকে বিপথে নেয়া হয়েছিল।’
রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল আয়োজিত ‘আগামী উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্র রাজনীতি’ শীষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
জাতীয় রাজনীতি সঠিক পথে পরিচালিত হলে ছাত্র রাজনীতিও সেভাবে গড়ে ওঠবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘ছাত্ররা নিজেদের গড়ে তুলবে ভবিষ্যৎ দেশের দায়িত্ব নেবার মতো করে। এটাই তো ছাত্র রাজনীতি। ছাত্র রাজনীতির মূল অর্থ হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রের উপযোগী করে নিজেকে গড়ে তোলা।’
তিনি আরো বলেন, ‘ছাত্র রাজনীতি করতে হলে শিক্ষা নিতে হবে বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে। তিনি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে তরুণ ছাত্রনেতা থাকাকালীন দুর্ভিক্ষ কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আবার ঢাবির চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের দাবি আদায়ে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য তার ছাত্রত্ব চলে গিয়েছিল।’
উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি মুক্তিযুদ্ধ। এখানে নানা মত ও আদর্শ থাকবে। কিন্তু স্বাধীনতার বিরোধী আদর্শ থাকতে পারবে না।’
সভায় বক্তারা বলেন, ‘ছাত্র রাজনীতিই আমাদের এ দেশ দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল দেশের মেধাবী ছাত্রদের দ্বারা।’
বক্তরা অভিযোগ করে বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করছেন। আগামী দিনের ছাত্র রাজনীতি হবে মেধার ভিত্তিতে। মেধা দিয়েই তারা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
এসময় আরো আলোচনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, রাকসুর সাবেক ভিপি ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, সাবেক ছাত্র নেতা শফি আহমেদ, বাহাদুর বেপারী, অধক্ষ্য মো. আলী চৌধুরী, হাসান তারিক প্রমুখ।
জয়ন্ত আচার্যের সঞ্চালনায় সভায় ‘আগামী উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্র রাজনীতি’ শীষক লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ড. মিল্টন বিশ্বাস।

