ঢাকাSaturday , 12 May 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরান চুক্তি রক্ষায় তৎপর ইউরোপ

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত ছয় জাতিগোষ্ঠির চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার পর পরমাণু চুক্তি বাঁচাতে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সঙ্গে কথা বলেছেন। আর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন এ ব্যাপারে শুরু থেকেই সরব ভূমিকা রেখে চলেছেন। ম্যাক্রন সাফ জানিয়েছেন, ইরান চুক্তি থেকে সরে গেলে তা ইউরোপের ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
২০১৫ সালে তেহরানের পরমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন ঠেকাতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়ার চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইরান অন্তত ১০ বছর ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ হ্রাস করবে। বিনিময়ে দেশটির উপর থেকে ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৬ সাল থেকেই একে ‘বাজে চুক্তি’ আখ্যা দিয়ে আসছিলেন। গত মঙ্গলবার তিনি চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। বৃহস্পতিবার ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় তা ইউরোপীয় ব্যবসার জন্য হুমকি বলে বিবেচনা করছে ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়া। কারণ ইরান ইতিমধ্যে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসকে ১০০টি উড়োজাহাজ তৈরির আদেশ দিয়েছে। উড়োজাহাজের বেশ কিছু যন্ত্রাংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমাদানি করতে হয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে ঝুঁকির মুখে পড়বে এয়ারবাস।
ফ্রান্সের বৃহত্তম জ্বালানি প্রতিষ্ঠান টোটাল এবং গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেনাল্ট ও পিউগটের বিনিয়োগ রয়েছে ইরানে। ২০১৬ সালে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর জার্মানি ও ফ্রান্স উভয় দেশই ইরানে তাদের রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে।
ফরাসি অর্থমন্ত্রী ব্রুনো লি ম্যারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের সিদ্ধান্তকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছে। তিনি বলেন, ইউরোপকে নিজেদের ‘অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।’ তিনি ইউরোপীয় কমিশনকে সম্ভাব্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বানও জানিয়েছেন।