ঢাকাSunday , 29 April 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে হামলায় গোয়েন্দা কর্মকর্তা!

Link Copied!

বিদেশ ডেস্ক : গত মাসে পশ্চিম তীরে প্রধানমন্ত্রী রামি হামাদাল্লাহর গাড়ি বহরে হামলায় এক ফিলিস্তিনি গোয়েন্দা কর্মকর্তা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে হামাস। গাজা উপত্যকার হামাস সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়াদ আল বোসম শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে তিনি বলেন, আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পুরো গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানকে এজন্য দায়ী করছি না তবে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ব্রেগেডিয়ার জেনারেল বাহা বালুসা এই হামলার পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।
গত ১৩ মার্চ উত্তরাঞ্চলীয় গাজা উপত্যকার ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রিত ইরেজ চেকপোস্ট অতিক্রম করবার পরেই হামলার মুখে পড়ে ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী রামি হামাদাল্লাহর গাড়ি বহর। ওই গাড়িবহরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন গোয়েন্দা প্রধান মাজেদ ফারাজ। হামলার পর তারা অক্ষত অবস্থায় বিকেলে রামাল্লায় ফিরে গেলেও আহত হন সাত নিরাপত্তা কর্মী।
ওই ঘটনার তদন্ত শেষ হওয়ার কথা জানিয়ে শনিবার গাজায় সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী দল হামাস। হামাস সরকারের মুখপাত্র ইয়াদ আল বোসম বলেন, আমাদের তদন্ত ছিল স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ। আমরা ফিলিস্তিনি গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্ত করছি না। তবে আমাদের তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বাহা বালুসা এই হামলার পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন।
বাহা বালুসা ফিলিস্তিনি গোয়েন্দা প্রধান মাজেদ ফারাজের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন বলে জানান হামাসের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ওই হামলার নেপথ্যের মূল অপরাধীকে আটকের পর ব্যাপক ও বিস্তারিত তদন্ত চালানোর কথাও জানান তিনি।
ইয়াদ আল বোসম বলেন, আটককৃত ব্যক্তি স্বীকারোক্তি দেয় উচ্চ পদস্থ ফিলিস্তিনি গোয়েন্দা কর্মকর্তা তাকে রাস্তার পাশে বোমা পুঁতে রেখে হামাদাল্লাহকে হত্যার জন্য নিয়োগ করে।
তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অন্যতম দল ফাতাহ-এর মুখপাত্র ওসামা আল কাসেমি এক বিবৃতিতে হামাসের আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উল্টো তিনি তিনি অভিযোগ করেছেন, বোসম ‘বিভ্রান্তকর নাটকে’ জড়িত হয়েছেন।
অবশ্য আগেই এই হামলার জন্য হামাসকেই দায়ী করেছিলেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে হামলার পর ফিলিস্তিনি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেছিলেন, আমরা চাই না তারা তদন্ত করুক, আমরা তাদের কাছে কোনও তথ্য চাই না, আমরা তাদরে কাছে কিছুই চাই না কারণ আমরা জানি যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের মধ্যে হামাসও রয়েছে।
শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে হামাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আটককৃত ব্যক্তির স্বীকারোক্তির ভিডিও সাংবাদিকদের দেখায়। মুখপাত্র বোসম জানান, আটককৃত ব্যক্তি আরও জানিয়েছেন গাজা ছাড়াও মিশরেরর সিনাই উপত্যকায় হামলা ও গুপ্তহত্যার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
বোসম জানান, এই গ্রুপটি গত অক্টোবরে গাজার পুলিশ প্রধান তওফিক আবু নাইমের ওপর হামলার সঙ্গেও জড়িত। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ওই গ্রুপটির সন্দেহভাজন লক্ষ্যের মধ্যে আরও রয়েছে, আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার কর্মকর্তা, হামাস নেতৃবৃন্দ, ফিলিস্তিনি শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে প্রায়শই গাজা উপত্যকা অতিক্রম করা মিশরীয় প্রতিনিধিরা।