ঢাকাSaturday , 24 March 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লাঙ্গলবন্দে মহাতীর্থ অষ্টমী স্নান শুরু

Link Copied!

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দে আজ শনিবার থেকে সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বীদের পবিত্র মহাতীর্থ অষ্টমী স্নান উৎসব শুরু হয়েছে। শুল্কা তিথি অনুযায়ী সকাল ১০টা ৩০ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে লগ্ন শুরু হয়েছে। দুই দিনব্যাপী স্নান উৎসব শেষ হবে রোববার সকাল ৭টা ৫২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে। আগত পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন লাঙ্গলবন্দে তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ব্যবস্থা নিয়েছে।
তবে ব্রহ্মপুত্র নদের আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠা শিল্পকারখানা ও ডাইংয়ের কেমিক্যাল মিশ্রিত বর্জ্য নদীতে পড়ছে। এ বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি বলে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অভিযোগ। বন্দর উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ব্রহ্মপুত্র নদের কচুরিপানা পরিষ্কার, লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ১৩টি ঘাটলায় কাপড় পাল্টানোর স্থান করা, পানের জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, স্নান ঘাটে বৈদ্যুতিক বাতি ও পর্যপ্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বীরা মনে করেন, মহা ভারতের বর্ণনা মতে পরশুরাম মুনি পাপমুক্তির জন্য ব্রহ্মপুত্র নদের যে স্থানের জলে স্নান করেছিলেন, তা লাঙ্গলবন্দে অবস্থিত। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, এই সময়ে বহ্মপুত্র নদে স্নান পুণ্যের। এই স্নানের ফলে ব্রহ্মার সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যমে পাপমোচন হয়। এই বিশ্বাস নিয়ে সুদীর্ঘকাল ধরে সম্মিলিত স্নানে অংশ নেওয়ার জন্য দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে অসংখ্য মানুষ লাঙ্গলবন্দে আসেন। লাখ লাখ মানুষ এসে এখানে সমাবেত হয়।
শ্রী শ্রী ললিত সাধুর আশ্রমের ঝর্ণা রানী জানান, কারখানার রং মিশ্রিত কেমিক্যাল বর্জ্য নদে পড়ছে। এতে এই জলে স্নান করা দুস্কর হয়ে পড়েছে। দূষিত জলে স্নান করলে শরীরে চুলকানিসহ নানা সমস্যা হয়। এই কারণে স্থানীয় হিন্দু পরিবারের লোকজন ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করা বন্ধ করে দিয়েছে।
বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিন্টু বেপারী বলেন, স্নান নির্বিঘ্ন করতে জেলা প্রশাসন সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। স্নান ঘাটলাগুলোতে কাপড় পাল্টানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক বাতি, বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ, পুণ্যার্থীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ১০ শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল, পাঁচটি মেডিক্যাল টিম থাকবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান জানান, স্নান এলাকার প্রবেশ পথে ১০টি চেকপোস্ট থাকবে। পয়েন্টে থাকবে সিসি ক্যামেরা। স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি পুলিশের ১৫০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। কেউ বিশৃংখলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে।