ঢাকাFriday , 9 March 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিশ্বকাপের স্বপ্ন পূরণ করতে টেস্ট ছাড়ছেন মানরো

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল নিউজিল্যান্ড। ঘরের মাঠের এই বিশ্বকাপে খেলা হয়নি নিউজিল্যান্ডের কলিন মানরোর। ২০১৯ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন বুনছেন ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। সেটা যাতে কোনেভাবেই মিস না হয় সে জন্য লংগার ভার্সন ও টেস্ট ক্রিকেট না খেলতে মনস্থির করেছেন কলিন মানরো। যাতে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে নিজেকে আরো মেলে ধরতে পারেন।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম নিখুঁত এই ব্যাটসম্যান সবশেষ ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্ট খেলেছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষের সেই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ০ ও পরের ইনিংসে ১৫ রান করেন। এরপর তিনি আর নিউজিল্যান্ডের টেস্ট দলের সেরা একাদশে জায়গা পাননি।
এই সময়ের মধ্যে তিনি ৩৯টি ওয়ানডে ও ৪৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। কিন্তু টেস্টের জন্য আর নির্বাচিত হননি। অথচ ৪৮টি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তিনি রান করেছেন ৩ হাজার ৬১১টি। গড় ৫১.৫৮। ১৩টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি রয়েছে ১৫টি হাফ সেঞ্চুরি।
কলিন মানরো বলেন, ‘সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ড ও অকল্যান্ড এসেস এর হয়ে খেলতে আমি শতভাগ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পাশাপাশি তাদের হয়ে আমি কিছু বড় লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। বিশেষ করে পরবর্তী বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের হয়ে আমি আমার সেরাটা দিতে চাই। এখন আমার লক্ষ্য সেটাই। আমি মনে করি সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটাই আমার সেরা পছন্দ। এই সিদ্ধান্তটা আমি আমার নিজের জন্য নিতে চাই। এ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি মনে করি এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘ মেয়াদে আমার ক্যারিয়ারকে উপকৃত করবে।’
অভিষেকের পর আরো টেস্ট খেলতে চেয়েছিলেন মানরো। কিন্তু সেই সুযোগ তিনি পাননি। ক্ষোভ না থাকলেও মানরো বলেন, ‘আমি যদি বলি যে নিউজিল্যান্ডের হয়ে আমি টেস্ট খেলতে চাইনি তাহলে মিথ্যে বলা হবে। আমি নিউজিল্যান্ডের হয়ে সে সময় আরো টেস্ট খেলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আপনি যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন যে সে সময় যেসব খেলোয়াড় এসেছে তারা টেস্টে দারুণ করেছে। সে কারণেই হয়তো আমি আর সুযোগ পাইনি।’
মানরোর এই সিদ্ধান্তের কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের একটিতেও রাখা হয়নি তাকে।